বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

জলবায়ু পরিবর্তন : বাংলাদেশের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি ৫.৪ শতাংশ

আপডেট: November 21, 2019, 12:35 am

সোনার দেশ ডেস্ক


জলবায়ু পরিবর্তনে খরা,বন্যা ও শস্যহানির কারণে ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রত্যক্ষভাবে সাত হাজার ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারের ক্ষতি হবে। একই সময়ে জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় থাকা বাংলাদেশের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হবে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ।
বুধবার দ্য ইকোনোমিস্ট ইন্টিলিজেন্স ইউনিটের ক্লাইমেট চেঞ্জ রেজিলেন্স ইনডেক্সে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সূচকে বিশ্বের ৮২টি বৃহৎ অথর্নীতির দেশের প্রস্তুতি পরিমাপ করে দেখানো হয়েছে। তাতে তাপমাত্রার বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সাল নাগাদ বৈশ্বিক জিডিপি তিন শতাংশ হ্রাস পাবে।
সূচকে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে প্রত্যেকটি দেশের প্রত্যক্ষ ক্ষতি মূল্যায়ণ করা হয়েছে। এটি মূল্যায়ণে প্রবল খরা,ভূমিক্ষয় ও সমুদ্রপৃষ্টের উচ্চতা বৃদ্ধিসহ মানসম্মত অবকাঠামোর বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকির দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে আফ্রিকার দেশগুলো। এই মহাদেশের দেশগুলোর মধ্যে অ্যাঙ্গোলাকে মোট দেশজ উৎপাদনের ৬ দশমিক ১ শতাংশ হারাতে হবে। ভূমিক্ষয় দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়নের উল্লেখযোগ্য অন্তরায় হয়ে দেখা দেবে।
তালিকায় অ্যাঙ্গোলার পর আছে নাইজেরিয়া। দেশটির নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির হার ৫ দশমকি ৯ শতাংশ ধরা হয়েছে। এরপরে থাকা মিশরের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি হার ৫ দশমিক ৫ শতাংশ, বাংলাদেশের ৫ দশমিক ৪ শতাংশ এবং ভেনেজুয়েলার ৫ দশমিক ১ শতাংশ ধরা হয়েছে। বিশ্লেষণে এই দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ধনী দেশগুলোর তুলনায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর স্থিতিস্থাপকতা কম।
ইআইইউ এর কান্ট্রি অ্যানালাইসিস পরিচালক জন ফার্গুসন বলেছেন, ‘ধনী হওয়াটা বিষয়। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের মোকাবেলায় ধনী দেশগুলো অনেক বেশি স্থিতিস্থাপক। উন্নয়নশীল দেশগুলো উন্নত দেশগুলোর ধরতে যেয়ে সত্যিকারার্থে তারা প্রবৃদ্ধি চক্রকে হুমকিতে ফেলছে’।
তথ্যসূত্র: রাইজিংবিডি