জামিল ব্রিগেডকে দিগন্ত প্রসারী ও বৈকালী সংঘের আর্থিক সহায়তা প্রদান

আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২১, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:


রাজশাহীতে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় আক্রান্ত রোগীদের বিনামূল্যে অক্সিজেন-অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিয়ে যাচ্ছে শহীদ জামিল ব্রিগেড। সেবামূলক এসব কাজকে আরও এগিয়ে নিতে সংগঠনটিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে দিগন্ত প্রসারী এবং বৈকালী সংঘ।
শনিবার (৩১ জুলাই) দুপুরে জিরোপন্টেস্থ ওয়ার্কার্স পার্টির দলীয় কার্যালয়ে জামিল ব্রিগেডের প্রধান সমন্বয়ক দেবাশিষ প্রামানিক দেবুর কাছে সহায়তার নগদ অর্থ তুলে দেন রাজশাহীর জনপ্রিয় এই দুই ক্লাবের সদস্যরা।
সহায়তার অর্থ গ্রহণ করে দেবু বলেন, ‘দুই মাস ধরে শুধুমাত্র একটি ফোনের মাধ্যমে আমরা জনগণের কাছে বিনামূল্যে অক্সিজেন-অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছে দিচ্ছি। একই সাথে শহরজুড়ে সাধারণ মানুষকে বিপুল পরিমাণে বিনামূল্যে মাস্কও বিতরণ করছি। আর্থিক সহায়তা নিয়ে জামিল ব্রিগেডের পাশে দাঁড়িয়ে দিগন্ত প্রসারী ও বৈকালী সংঘ মানবতার সেবায় বড় ভূমিকা রাখল।’ দেবু এই দুই ক্লাবের সকল সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন- শহীদ জামিল ব্রিগেডের নেতা অ্যাড এন্তাজুল হক বাবু, মনিটরিং সেলের সদস্য আব্দুল মতিন, নাজমুল করিম অপু, দিগন্ত প্রসারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক, কোষাধ্যক্ষ সাহাবুদ্দীন টুকু, বৈকালী সংঘের রায়হান হালিম, সাবেক ছাত্রনেতা সেলিম মনোয়ার, একেএম মাসুদ প্রমুখ।
বাড়ি বাড়ি গিয়ে জামিল ব্রিগেডের মাস্ক বিতরণ অব্যাহত :
বিনামূল্যে অক্সিজেন ও অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদানের পাশাপাশি তৃণমূলের মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মানাতে রাজশাহী নগরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডে গিয়ে মাস্ক বিতরণ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শহিদ জামিল ব্রিগেড। একইসঙ্গে সংগঠনটির সদস্যরা মাইকিং করে তাদের সেবা ও স্বাস্থ্যবিধি সম্বলিত সচেতনতামূলক প্রচারপত্রও বিলি করছেন।
শনিবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নগরীর চন্দ্রিমা থানার বিভিন্ন এলাকায় ব্রিগেডের নগর, থানা ও স্থানীয় ওয়ার্ডের সমন্বয়কারীদের নেতৃত্বে একদল কর্মী সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে প্রায় এক হাজার মাস্ক বিতরণ করেন। এসময় মাস্ক না পড়ে বাইরে বের না হওয়ার বিষয়ে মানুষকে নিরুৎসাহিত করেন বিগ্রেডের সদস্যরা।
কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন শহিদ জামিল ব্রিগেডের প্রধান সমন্বয়ক দেবাশিষ প্রামানিক দেবু। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মধ্য শহরে মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার প্রবণতা কিছুটা দেখা গেলেও ওয়ার্ড এবং থানা পর্যায়ে এটি অনেক কম। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে সংক্রমণ ঠেকানো খুব কঠিন। এসব বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে আমরা প্রতিদিনই ধারাবাহিকভাবে শহরের বিভিন্ন থানা ও ওয়ার্ডসহ শহরের বিভিন্ন ব্যস্ততম এলাকায় ঘুরছি। যার মুখে মাস্ক নেই; তাকে সচেতন করছি। বিনামূল্যে মাস্কও দিচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি- মানুষ ঘরের বাইরে বের হয়ে নিয়মিত মাস্ক পরিধান করলে অচিরেই সংক্রমণের লাগাম টানা সহজ হয়ে উঠবে।’
এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন- শহিদ জামিল ব্রিগেডের মনিটরিং সেলের সদস্য আব্দুল মতিন, নাজমুল করিম অপু, চন্দ্রিমা থানার সমন্বয়কারী শাহীদ হোসেন শিশির, সদস্য ইখতিয়ার উদ্দীন জাহিদ, জাফর আলী, রেজাউল ইসলাম, সোহেল বাবু প্রমুখ।