জার্মানির নির্বাচনে জয়ের পথে মধ্য বামপন্থি দল এসপিডি

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ

বার্লিনে সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এসপিডি) নেতা ও চ্যান্সেলর প্রার্থীদের মধ্যে শীর্ষে থাকা ওলাফ শলৎস ও তার স্ত্রী ব্রিটা আর্নস্ট। ছবি: রয়টার্স

সোনার দেশ ডেস্ক


জার্মানির সাধারণ নির্বাচনে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মের্কেলের দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের (সিডিইউ) চেয়ে সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকা মধ্য বামপন্থি দল সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টিই (এসপিডি) জয় পেতে যাচ্ছে বলে অনুমিত ফলাফলে ধারণা পাওয়া যাচ্ছে।
রোববারের এ নির্বাচনের পর বুথফেরত জরিপের অনুমিত ফলাফলে জয়ের আভাস স্পষ্ট হয়ে ওঠার পর এসপিডি দাবি করেছে, জনরায় স্পষ্টতই তাদের পক্ষে।
এর ফলে ২০০৫ থেকে ১৬ বছর ধরে মের্কেলের অধীনে চলা রক্ষণশীল শাসনের অবসানের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অবশ্য তার দল সিডিইউর প্রার্থী আরমিন লাশেট দাবি করেছেন, তারা এখনও সরকার গঠনে সক্ষম।
এসপিডি মোট ভোটের ২৬ শতাংশ পাওয়ার পথে রয়েছে আর মের্কেলের সিডিইউ/সিএসইউ রক্ষণশীল জোট ২৪ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পেতে যাচ্ছে বলে অনুমিত ফলাফলে দেখানো হয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনও দুই দলই মনে করছে, তারা জার্মানির পরবর্তী সরকারের নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবে।
এসপিডি সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও এখনও ভোটের ফলাফল চূড়ান্ত হয়নি।
বুথ ফেরত জরিপে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গিয়েছিল, কিন্তু শুরু থেকেই এই নির্বাচন নিয়ে আগাম কোনো ধারণা পাওয়া যাচ্ছিল না আর এর ফলাফলেই সব কাহিনী শেষ হয়ে যাবে না।
ভোট শেষে যে দলই এগিয়ে থাক, সরকার গড়তে তাদের জোটের শরণ নিতে হবে।
কোনো জোট আধিপত্য করার মতো সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলে আর তারা গত চার বছরের মতো বেমানান ‘গ্রান্ড কোয়ালিশন’ এর পুনরাবৃত্তিতে আগ্রহী না হলে হয় এসপিডি অথবা মের্কেলের রক্ষণশীলদের নেতৃত্বে ত্রিমুখি জোট হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
নতুন এই জোট তৈরি হতে কয়েক মাস লেগে যেতে পারে এবং এতে গ্রিন্স ও লিবারাল ফ্রি ডেমোক্রেটস (এফডিপি) এর মতো ছোট দলগুলো যুক্ত হতে পারে।
বিবিসি বলছে, সরকার পরিচালনার জন্য একটি জোট তৈরি না হওয়া পর্যন্ত বিদায়ী চ্যান্সেলর স্বপদেই বহাল থাকবেন আর তা হতে হতে চলতি বছর পার হয়ে যেতে পারে।
পরবর্তী চ্যান্সেলরকে প্রথমত আগামী চার বছর ইউরোপের অর্থনীতির নেতৃত্ব দিতে হবে আর ভোটারদের শীর্ষ এজেন্ডা জলবায়ু পরিবর্তনের কথাও তাকে মাথায় রাখতে হবে।
তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ