জুনায়েদের সেঞ্চুরিও আটকাতে পারে নি আবাহনীর জয়

আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০১৭, ১২:০৯ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



১১২ বলে খেললেন ১১৪ রানের ঝলমলে ইনিংস। তাতেও কাজ হলো না, বৃথা গেল জুনায়েদ সিদ্দিকীর সেঞ্চুরি। তার দল ব্রাদার্স ইউনিয়নকে ৩২ রানে হারতে হলো যে আবাহনীর বিপক্ষে। ফতুল্লায় আবাহনীর ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে করা ৩২৭ রানের জবাবে ব্রাদার্সের ইনিংস থামে ৮ উইকেটে ২৯৫ রানে।
প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের তৃতীয় রাউন্ডের খেলায় টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামার সিদ্ধান্ত নেন আবাহনীর অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। অধিনায়কের সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করেন দুই ওপেনার লিটন দাস ও উদয় কর। উদ্বোধনী জুটিতে তারা যোগ করেন ৯৬ রান। অলক কাপালির বলে হাফসেঞ্চুরি থেকে ২ রান দূরে থেকে লিটন (৪৮) আউট হলেও হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন উদয়। এই ওপেনারকে আবার পুড়তে হয়েছে সেঞ্চুরি হারানোর বেদনায়। ৯৪ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। ১২০ বলে ৫ বাউন্ডারিতে সাজানো উদয়ের এই ইনিংসটির পর নাজমুল হোসেন শান্ত (৪৯) ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ (৪৯*) খেলেন কার্যকরী দুটি ইনিংস।
যদিও রান ৩২৭ পর্যন্ত যাওয়ার পেছনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছেন শুভাগত হোম। আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরের দলে উপেক্ষিত থাকার রাগটাই যেন এই অলরাউন্ডার উগড়ে দিলেন ব্রাদার্সের বোলারদের ওপর। ১৭ বলে তিনি খেলেন ৪৪ রানের টর্নেডো ইনিংস, যাতে ছিল ৭টি চার ও একটি ছক্কার মার।
কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে ব্রাদার্স ৩ রানেই হারায় রুমান আহমেদের (১) উইকেট। শুরুর ওই ধাক্কা কাটিয়ে মিজানুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে জুনায়েদ বাড়িয়ে নেন দলের স্কোর। মিজানুর ৪২ রানে আউট হলেও সেঞ্চুরি পূরণ করে জয়ের ভিত তৈরি করেছিলেন জুনায়েদ। যদিও ১১২ বলে ৮ চার ও ৩ ছক্কায় সাজানো তার ১১৪ রানের ইনিংসটি কাজে আসেনি পরের দিকের ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হওয়ায়। শেষদিকে নিহাদুজ্জামান হার না মানা ৪১ রানের ইনিংস খেলে কেবল হারের ব্যবধানেই পেরেছেন কমাতে।
ব্যাটিংয়ের পর বল হাতেও আলো ছড়িয়েছেন শুভাগত। ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতা এই অলরাউন্ডার ৪৫ রান খরচায় পেয়েছেন ৩ উইকেট।