জেলায় ৪০ হাজার পরিবারকে চাল-নগদ টাকা সহায়তা

আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২০, ৮:৩৮ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজশাহী জেলার ৪০ হাজার পরিবারকে চাল ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় দুস্থ ও কর্মহীন পরিবারের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। করোনা ভাইরাসের গৃহবন্দি থাকার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার। ইতোমধ্যেই ওইসব পরিবারে অভাব-অনটন তিব্র হয়ে উঠেছে। এমনই সঙ্কটময় মুহূর্তে ওইসব পরিবারকে চাল ও নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করা হচ্ছে। রাজশাহী মহানগরী ছাড়াও জেলার নয়টি উপজেলার ৪০ হাজার ৪০০ পরিবারের জন্য ৪০৪ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৫ লাখ টাকার সহায়তা দেয়া হচ্ছে।
সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে রাজশাহী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ত্রাণ কর্মকর্তা আমিনুল হক সংবাদ মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ত্রাণ কর্মকর্তা জানান, রোববার (২৯ মার্চ) থেকে এ ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মহানগরীর ছয় হাজার পরিবারের মধ্যে ৬০ মেট্রিক টন চাল দেয়া হবে। এছাড়া রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলায় ৪ হাজার ৪০০ পরিবার পাবে ৪৪ মেট্রিক টন চাল। তানোর উপজেলায় ৩ হাজার ৬০০ পরিবার পাবে ৩৬ মেট্রিক টন চাল। মহানগর সংলগ্ন পবা উপজেলার ৪ হাজার পরিবার পাবে ৪০ মেট্রিক টন চাল।
আমিনুল হক জানান, সর্বশেষ রোববার ১০০ মেট্রিক টন চাল ও দুই লাখ টাকা পাওয়া গেছে। আরও ২০ লাখ টাকা নগদ অনুদান, ২০ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও এক হাজার মেট্রিক টন চাল চাওয়া হয়েছে।
এদিকে, সোমবার পবা উপজেলার বিলনেপালপাড়া স্কুল মাঠে সাধারণ মানুষের মধ্যে জেলা প্রশাসকের তহবিল থেকে ১০ কেজি করে চাল, দুই কেজি আলু, এক কেজি করে ডাল ও একটি করে সাবান বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক সবার হাতে এ ত্রাণ সামগ্রী তুলে দেন।
অন্যদিকে, মোহনপুর উপজেলার ২ হাজার ৮০০ পরিবারের জন্য বিতরণ হচ্ছে ২৮ মেট্রিক টন চাল। বাগমারা উপজেলার ৭ হাজার ২০০ পরিবার পাবে ৭২ মেট্রিক টন চাল। দুর্গাপুর উপজেলার ৩ হাজার ২০০ পরিবারের মধ্যে বিতরণ করা হবে ৩২ মেট্রিক টন চাল। বাঘায় ৩ হাজার ৬০০ পরিবার পাবে ৩৬ মেট্রিক টন চাল। এছাড়া জেলার পুঠিয়া এবং চারঘাট উপজেলার ২ হাজার ৮০০ পরিবার পাবে মোট ৫৬ মেট্রিক টন চাল।
জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক বলেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে। করোনার কারণে ঘর থেকে বাইরে না যেতে পারা নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য এ সরকারি সহায়তা প্রতিটি উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের হাতে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। আরও বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে যত সরকারি সহায়তা আসবে পর্যায়ক্রমে তা মহানগর, জেলা ও উপজেলায় থাকা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়া হবে।