সংবর্ধনা পেলেন পাঁচ জয়িতা

আপডেট: ডিসেম্বর ৯, ২০১৬, ৯:৫৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক



রাজশাহী জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ পাঁচ জয়িতার সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেছেন, নারী জাগরণের দৃষ্টান্ত আজকের জয়িতারা। নারীরা বৈষম্যের শিকার হয়েও আর পিছিয়ে নেই। নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে লড়াই সংগ্রাম করতে শিখেছেন। প্রধানমন্ত্রী নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বদ্ধপরিকর। সমাজে নারীরা আর পিছিয়ে নেই। নিজের আত্মকর্মসংস্থান গড়ে তোলার জন্য সচেতন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী মানব সম্পাদক উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ, বেগম রোকেয়া দিবস ও জয়িতা অন্বেষণে বাংলাদেশ শীর্ষক কার্যক্রমে জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ জয়িতার সম্ববর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা বলেন, সরকার নারীদের বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। ফলে নারীদের সাফল্যের দ্বার খুলেছে। নারীরাও বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সুনাম অর্জন করছে। এতে দেশ ও সমাজ উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হচ্ছে।
জেলা পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ ৫ জয়িতা হলেন, নগরীর উপশহর হাউসিং এস্টেট এলাকার বাসিন্দা অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী উরসী মাহফিলা ফাতেহা, মিয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা শিক্ষা ও চাকরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী শিরীন মাহবুবা, বালিয়াপুুকুর এলাকার বাসিন্দা সফল জননী নারী হাজেরা খাতুন, দাশপুকুর এলাকার বাসিন্দা নির্যাতনের বিভীষিকা মুছে ফেলে নতুন উদ্যোমে জীবন শুরু করা নারী শারমিন বেগম, আসাম কলোনির সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন নারী আঞ্জুমান আরা পারভীন। নির্বাচিত পাঁচ জয়িতাকে সম্মাননা সার্টিফিকেট ক্রেস্ট ও নগদ এক হাজার টাকা প্রদান করা হয়।
রাজশাহী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আতাউল গণির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, সাংসদ বেগম আখতার জাহান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, নগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সমাজসেবী শাহীন আকতার রেনী, জাতীয় মহিলা সংস্থা রাজশাহীর চেয়ারম্যান বেগম মর্জিনা পারভীন। স্বাগত বক্তব্য দেন, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা সাহানাজ বেগম।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ, মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের নিবন্ধনকৃত স্বেচ্ছাসেবী মহিলা সমিতির নেতৃবৃন্দ, স্কুল ও কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। এরআগে অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন পাঠ করা হয়। এরপর অতিথিদের ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। নির্বাচিত জয়িতারা তাদের সাফল্যের জীবনকাহিনী আলোকপাত করেন।