‘জেল হত্যার পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচিত হওয়া দরকার’ রাবিতে আলোচনা সভায় লিটন

আপডেট: নভেম্বর ৬, ২০১৬, ১২:০৬ পূর্বাহ্ণ

রাবি প্রতিবেদক



‘বাংলাদেশের ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে বিভিন্ন রহস্য লুকিয়ে আছে। অনেক কালো অধ্যায় আছে। যা এখনো সঠিকভাবে উঠে আসে নি। ৭১ সালের নভেম্বরের ২ তারিখ থেকে ৭ তারিখ পর্যন্ত কি ঘটেছিল তার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ হওয়া দরকার। হালকা করে লেখা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচিত হলে জাতি একটি কালো অধ্যায় সম্পর্কে জানতে পারতো।’
জেলা হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। গতকাল শনিবার বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয় চার নেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধুর যোগ্য শিষ্য। তারা তাদের জীবন দিয়ে তা প্রমাণ করে গেছেন। তারা হয়ত এখন কেউ বেঁচে থাকতেন না, তারা মারা যেতেন। কিন্তু এ মৃত্যুর চেয়ে সেই মৃত্যু হাজার গুণে শ্রেয়, হাজার গুণে গৌরবের। বাংলার মানুষ তাদের আজীবন মনে রাখবে। এটা প্রমাণিত হয়ে গেছে, কেউ তাদের কোনদিন ভুলতে পারবে না।
এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী অবসরে গেছেন। তাদের জায়গায় নতুন লোক নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না। অথচ অনেকে শিক্ষিত ছেলে বেকার হয়ে আছে। তাদের চাকরির তেমন সুযোগ নেই রাজশাহীতে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো নিয়োগ দেয়া হচ্ছে না।
নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, আওয়ামী লীগের এবারের কাউন্সিল এত বড় পরিসরে এবং এত জাঁকজমকভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে যে তা বিশ্বের বুকে অনন্য দৃষ্টান্ত। দলীয় প্রধান শেখ হাসিনার প্রতি অবিচল আস্থা ও আনুগত্য আছে জানিয়ে তিনি বলেন এত এত মানুষের মধ্যে চারবারের মতো আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত। জাতীয় চারনেতা জীবন দিয়ে আনুগত্যের দৃষ্টান্ত দেখিয়েছেন। আমি তাদের একজনের সন্তান আমি। দলের প্রতি আনুগত্য আজীবন অটুট থাকবে।
প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক প্রফেসর জুলফিকার আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন রাবির সাবেক উপাচার্য প্রফেসর আবদুস সোবহান, প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সাবেক আহ্বায়ক প্রফেসর আনন্দ কুমার সাহা, স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য ড. সরকার সুজিত কুমার, মতিহার থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য প্রফেসর ড. হাসিবুল আলম প্রধান।