জোড়া আত্মঘাতী গোলে সর্বনাশ আরামবাগের

আপডেট: আগস্ট ২২, ২০১৭, ১:৩৩ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


শেখ জামাল-আরামবাগ ম্যাচে গোল হয়েছে চারটি। যার তিনটিই আরামবাগের খেলোয়াড়দের পা আর মাথা থেকে। তারপরও ম্যাচ শেষে জয়ী দলের নাম শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব। ম্যাচ হারা মানেই একজন কোচের জন্য বেদনার। আর হারটি যদি হয় নিজেদের খেলোয়াড়দের গোলে তার চেয়ে কষ্টের কী হতে পারে? সোমবার সে বেদনার আগুনে পুড়লেন মারুফুল হক।
আগের ম্যাচে বুকোলার নৈপুণ্যে ব্রাদার্সকে হারিয়ে ১৪ ম্যাচ পর জয়ের হাসি ফুটেছিল মারুফুলের মুখে। সেই বুকোলাই সোমবার ১৪ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে শেখ জামালের বিরুদ্ধে এগিয়ে দিয়েছিল আরামবাগকে; কিন্তু দুটি আত্মঘাতী গোলে সর্বনাশ হয় মারুফুল হকের দলের। এগিয়ে যাওয়া ম্যাচটি ৩-১ ব্যবধানে হেরে ঘরে ফিরতে হয় তার দলকে।
৬৩ মিনিটে দর্শনীয় গোল করলেন গাম্বিয়ান সলোমন কিং কনফর্ম। তার আগেই পিছিয়ে পড়া শেখ জামাল এগিয়ে গিয়েছিল আরামবাগের জালাল মিয়া আর শাহরিয়ার বাপ্পির আত্মঘাতী গোলে। কনফর্মের গোলটি শেখ জামালের জয়টাই কনফার্ম করেছে মাত্র। আগের ম্যাচে রহমতগঞ্জের সঙ্গে ড্র করে প্রথম পয়েন্ট হারিয়ে শিরোপা দৌড় থেকে কিছুটা পিছিয়ে পড়েছিল সাবেক চ্যাম্পিয়নরা। আরামবাগের বিরুদ্ধে এই জয় আফুসির দলকে আবার ফিরিয়ে আনলো লিগরেসে। ৫ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে তিনবারের চ্যাম্পিয়নরা উঠলো টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে। চতুর্থ হারে ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের নবম স্থানে পড়ে রইলো আরামবাগ। ১৪ মিনিটে ডান দিক থেকে জুয়েলের বাড়ানো চলন্ত বলে নাইজেরিয়ান বুকোলা ওলালেকানের প্লেসিং এগিয়ে দেয় আরামবাগকে। কিন্তু প্রথমার্ধের শেষ ১০ মিনিটে আরামবাগের দুটি আত্মঘাতি গোল বদলে দেয় ম্যাচের চিত্র। ৩৬ মিনিটে জালাল মিয়া ব্যাকপাস দিলে তা গোলরক্ষক আক্কাস আলির পাস দিয়ে জড়িয়ে যায় জালে। বাড়িয়ে দেয়া সময়ে এনামুলের কর্নার হেডে ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের জালে বল পাঠিয়ে দেন শাহরিয়ার বাপ্পি। সৌভাগ্যের পরশ নিয়ে এগিয়ে বিরতিতে যায় শেখ জামাল।