‘টিকাকরণ মারাত্মক ভুল, এতে শক্তি বাড়ছে করোনার,’ বিস্ফোরক নোবেলজয়ী ভাইরোলজিস্ট

আপডেট: মে ২৫, ২০২১, ৭:৪৩ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাসকে রুখে দেওয়ার প্রথম এবং একমাত্র উপায় টিকাকরণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে শুরু করে বিশ্বের তাবড় গবেষকদের অধিকাংশই তা একবাক্যে স্বীকার করে নেন। বিশ্বের তাবড় তাবড় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাও তাঁদের কথা মতো ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টায় দিনরাত এক করছে। যে ভ্যাকসিনগুলি ইতোমধ্যেই স্বীকৃতি পেয়েছে, সেগুলি সাধারণ মানুষকে দেওয়ার চেষ্টার ত্রুটি করছে না বিভিন্ন দেশের সরকারও। কিন্তু এসবের মধ্যেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ফ্রান্সের প্রবীণ নোবেলেজয়ী ভাইরোলজিস্ট লুক মন্টেনিয়র। যা রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বিজ্ঞানী মহলে।
লুক মন্টেনিয়র মনে করছেন, বেশি বেশি মানুষ ভ্যাকসিন নেওয়ার ফলে আসলে হীতে বিপরীত হচ্ছে। কারণ, কোনও ভ্যাকসিন ভাইরাসকে আটকে রাখতে পারে না। বরং তা ভাইরাসকে আরও শক্তিশালী করে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মন্টেনিয়র দাবি করেছেন, মহামারী সংক্রান্ত গবেষকরা সবটাই জানেন কিন্তু তবু তাঁরা চুপ রয়েছেন। নোবেলজয়ী ওই ভাইরোলজিস্টের সাফ কথা,”কোনও টিকা ভাইরাসকে আটকায় না বরং আরও শক্তিশালী করে। ভ্যাকসিনেশনের ফলে করোনার নতুন যে ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হচ্ছে, তা আগের থেকেও শক্তিশালী।” ফরাসি ওই গবেষক বলছেন,”টিকাকরণ হওয়ার ফলে শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। যা করোনাকে হয় অভিযোজন করতে, নয়তো মারা যেতে বাধ্য করে। তখনই অভিযোজনের ফলে এই ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হয়ে যায়।” মন্টেনিয়রের সাফ কথা, এটা চিকিৎসা বিজ্ঞানের বড়সড় ভুল। যা এখন হয়তো কেউ স্বীকার করছেন না। কিন্তু চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাসে তা লেখা হবে।
বস্তুত, করোনার প্রথম ঢেউ যখন অনেকটাই স্তিমিত, তখনই বিশ্বের বহু দেশে টিকাকরণ শুরু হয়। তার পরপরই আশ্চর্যজনকভাবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে। এবং মারণ এই ভাইরাসটির নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট তৈরি হচ্ছে। যা আগের থেকে অনেক শক্তিশালী। তাই অনেকেই মনে করছেন মন্টেনিয়রের দেওয়া তত্ত্ব একেবারে ফেলনা নয়। আবার অনেকে মনে করছেন এটা নেহাতই আর পাঁচটা ষড়যন্ত্রের তত্ত্বের মতো। কোনও গবেষণায় এই তত্ত্বর ভিত্তি নেই। প্রসঙ্গত, এই মন্টেনিয়রই একটা সময় দাবি করেছিলেন, করোনা ভাইরাস মনুষ্যসৃষ্ট। এবং এটা ল্যাবরেটারিতে তৈরি করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ