টিকিটাকার শক্তি দেখালো স্পেন, কোস্টারিকার জালে ৭ গোল

আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০২২, ১২:৩২ অপরাহ্ণ


সোনার দেশ ডেস্ক :


২০০৮ থেকে ২০১২; টিকিটাকাময় সময়টা কী দুর্দান্তই না ছিলে স্পেনের। ২০০৮ তারা সালে ইউরো জয়, ঠিক দুই বছর পর ২০১০ বিশ্বকাপ জয়। পরের গল্পটা অবশ্য শুধুই হতাশার। অবশেষে টিকিটাকার শক্তি দেখলো লুইস এনরিকের স্পেন। কাতার বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কোস্টারিকার বিপক্ষে গোল উৎসব করেছেন অসেন্সিও, তোরেস, গাভিরা।

কোস্টারিকার জালে ৭ বার বল জড়ায় স্পেন। দুই গোল করেন ফেরান তোরেস। একটি করে গোল করে অসেন্সিও অলমো, অসেন্সিও, গাভি, আলভারো মোরাতা ও কার্লোস সোলে। বিশ্বকাপে ইতিহাসে এই প্রথম কোন ম্যাচে ৭ গোল করলো স্পেন।

খেলার শুরুতে অধিকাংশ সময় বল নিজেদের পায়ে রেখেই আক্রমণে উঠতে থাকে স্প্যানিশরা। টিকিটাকা ফুটবলের পাসের পসরা বসিয়ে স্পেন নিজেদের প্রথম গোল তুলে নেয় ম্যাচের ১১ মিনিটেই। ডি বক্সের বাইরে থেকে গাভির বাড়ানো বল ডি বক্সের ভেতর দারুণ দক্ষতায় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কোস্টারিকান গোলরক্ষক কেইলর নাভাসকে ফাকি দিয়ে জালে বল জড়ান দানি অলমো। এই গোলে স্পেন স্পর্শ করে দারুণ এক মাইলফলক— বিশ্বকাপে একশ গোল।

ম্য্যাচের ২১ মিনিটে আবারও গোল। আলবার ক্রস দারুণ ফিনিশ করেন মার্কো অ্যাসেনসিও।
৩০ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দিলেন ফেরান তোরেস। ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্পেন। প্রথমার্ধের বাকি সময়ে চাপ ধরে রাখে ২০১০ আসরের চ্যাম্পিয়নরা। তবে আর জালের দেখা পায়নি তারা। ৩-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় স্পেন।

দ্বিতীয়ার্ধে ৫৪ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের চতুর্থ গোলটি করেন অসেনসিও। স্পেনের দাপটের মাঝেই বিক্ষিপ্ত ভাবে কিছু পাল্টা আক্রমণ গড়ে তুলেন কোস্টারিকার ফুটবলাররা। কিন্তু গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেননি তারা।

৭৪ মিনিটে স্পেনের পক্ষে পঞ্চম গোল করেন গাভি। এই গোলের সুবাধে এক ইতিহাস গড়েন এই বার্সা ফুটবলার। স্পেনের সবচেয়ে কমবয়সী ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপে গোল করলেন তিনি।

ম্যাচের একদম অন্তিম মুহূর্তে ৮৯ মিনিটে স্পেনের হয়ে সর্বশেষ গোলটি করেন পিএসজির ফুটবলার কার্লোস সোলার। ম্যাচের ৯২ মিনিটে আবারও গোল করে স্পেন। এবার অলমোর পাস থেকে বদলি হিসেবে নামা মোরাতা গোল করে দলকে ৭-০ গোলের বিশাল জয় এনে দেন।- বাংলা ট্রিবিউন