টেস্ট অনেক চ্যালেঞ্জিং : তাসকিন

আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০১৭, ১২:০৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



২০১৪ সালে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি অভিষেক। এরপর বাংলাদেশ জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য। ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টিতে হয়ে উঠেছেন দলের অপরিহার্য বোলার; কিন্তু তাসকিন আহমেদের মনে একটাই দুঃখ, এত ভালো পারফরম্যান্স করার পরও তাকে টেস্টের জন্য যোগ্য মনে করছেন না।
অবশেষে নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে সেই আক্ষেপ ঘুচলো তার। ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে এসে হলো অপেক্ষার অবসান। কিংবদন্তী কোর্টনি ওয়ালশের হাত থেকে পরলেন টেস্ট ক্যাপ। বাংলাদেশের হয়ে গায়ে তুলে নিলেন সাদা জার্সি। আবার নিজের টেস্ট ক্যারিয়ার শুরু করলেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের উইকেট দিয়ে।
টেস্টের তৃতীয় দিন এসে প্রথম হাতে বল তুলে নিয়েছিলেন। সারাদিন বোলিং করেছেন। এরপর চতুর্থ দিন এসেও প্রায় দুই সেশন বোলিং করতে হয়েছে বাংলাদেশকে। এর মধ্যে তাসকিন বল করেছেন ২৯ ওভার। যদিও সবচেয়ে বেশি ইকনোমি রেট তার। প্রায় ৫ করে (৪.৮৬) রান দিয়েছেন তাসকিন। উইকেট নিয়েছেন ১টি। অভিষেকটা সে অর্থে সুখকর হলো না।
তবুও টেস্ট ম্যাচ খুব উপভোগ করেছেন তিনি। যদিও এই উপভোগের সঙ্গে কষ্টটাও ছুঁয়ে গেছে তাসকিনের শরীরে। দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে সে কথাই বললেন তিনি, ‘টেস্ট ম্যাচ একটু কষ্টকর। শরীরে প্রভাব পড়ে। তবে মাঠে অনেক উপভোগ করেছি। আমি টেস্ট খেলছি, এটাই তো আমার জন্য সবচেয়ে বড় পাওয়া। ম্যাচের শেষটা ভালো হলে সেটা আরও ভালো হবে। যদিও বিষয়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং আমার জন্য।’
এতদিন বসে বসে টিভিতে দেখতেন টেস্ট ম্যাচ। এখন নিজেই খেলছেন। দারুণ রোমাঞ্চিত তাসকিন বললেন, টেস্ট তার জন্য সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, ‘আমার জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা। এতদিন টিভিতে টেস্ট ম্যাচ দেখেছি। এখন আল্লাহর রহমতে আমি নিজেই খেলছি। তবে এখানে বোলারদের ধৈয্যের ব্যাপার আছে। শারীরিভাবে ফিট থাকার ব্যাপার আছে। এ কারণে টেস্ট অনেক চ্যালেঞ্জিং মনে হয়েছে আমার কাছে।’
টেস্ট ক্যারিয়ার তো মাত্রই শুরু করলেন। প্রথম টেস্টে অনেক ভুল হয়েছে মানেন তাসকিন। এ কারণে তার কথা, দ্বিতীয় টেস্টের আগে ভুলত্রুটি শোধরাতে চান। তাসকিন বলেন, ‘প্রথম টেস্টের ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করব।’
দ্বিতীয় ইনিংসে বল করাটা বেশ ভালো চ্যালেঞ্জিং হবে বাংলাদেশের বোলারদের জন্য। এ জন্য ব্যাটসম্যানদের কাছ থেকে ভালো ইনিংস প্রত্যাশা করেন তাসকিন। তিনি বলেন, ‘ব্যাটসম্যানরা ভালো শুরু দিলে, ভালো জুটি হলে আমাদের ওপর চাপ কমবে। রানটা যদি ৩৫০-এর বেশি হয়, তাহলে নিশ্চিন্তে বল করা যেতে পারবো।’-জাগোনিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ