ডিম ও মাংস উৎপাদনে তিতির পাখি সম্ভাবনাময় || সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা

আপডেট: সেপ্টেম্বর ৮, ২০১৭, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


তিতির পাখি বিতরণ ও লালপালনের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নগরীর রানীবাজার এসকে ফুড রেস্টুরেন্টে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগ ও বৃহত্তর রাজশাহী সমিতি ময়মনসিংহ এর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ লাইভস্টক সোসাইটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন, প্রফেসর ড. সুভাস চন্দ্রদাস।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাবির প্রফেসর ড. জালাল উদ্দিন সরদার, লাইভস্টক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক ড. হেমায়েতুল ইসলাম আরিফ, নারী উদ্যোক্তা মোসা. সেলিনা বেগম, গণবিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ডা. রিয়াজুল ইসলাম, এলটি ফার্মাসিইটক্যাল’র চেয়াম্যান আনন্দ কুমার প্রামাণিক, কেইজ বার্ডস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আশিফুর রহমান সজল, তথ্য ও যোগাযোগ সম্পাদক জাহিদ হাসান বাবু প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশি মুরগির মতোই এদের লালন-পালন করা যায়। তিতির পাখির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অন্যান্য পাখির তুলনায় বেশি। সংক্রমণ বা পরজীবীরা সহজে আক্রান্ত করতে পারে না। আলাদা কোনো ভ্যাকসিন বা ওষুধ দেয়ার প্রয়োজন হয় না। এমনকি এদের খাদ্যের চাহিদাও কম। প্রতিকূল পরিবেশ এরা নিজেদের মানিয়ে নিতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশি মুরগি যেখানে ছয় মাসে সর্বোচ্চ এক কেজি ওজনের হয়। সেখানে তিতির পাখি দেড় কেজি বা তার বেশিও হয়ে থাকে। আবার একটি দেশি মুরগি বছরে ৫০-৬০টা ডিম দেয়, সেখানে তিতির পাখি বছরে প্রায় ১০০-১২০টি ডিম দেয়। বাণিজ্যিক পোল্ট্রির দাপটে বিলুপ্তির মুখে পড়েছে তিতির পাখি পালন। কিন্তু ডিম আর মাংসের উৎপাদনে পোল্ট্রির চেয়েও তিতির পাখি পালনে দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার নগরীর মেহেরচন্ডিতে খামারিদের মাঝে বিনামূল্যে তিতির পাখি বিতরণ করা হয়েছে। এসময় ২০টি করে এক মাস বয়সের তিতির পাখি ১৫ জন খামারিদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ