ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি কমেছে

আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০১৭, ১১:০৫ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


ডিসেম্বর মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সাধারণ মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। আগের মাসে (নভেম্বর) মূল্যস্ফীতির এ হার ছিল ৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ। গত ৫৩ মাসের মধ্যে এটি সর্বনি¤œ।
মঙ্গলবার শেরেবাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ এ তথ্য সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তাফা কামাল।
তিনি বলেন,সরকারের নানামুখী পদক্ষেপের কারণে মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আছে। চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার নীচে থাকবে মূল্যস্ফীতি। গত ৫৩ মাসের মধ্যে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি সর্বনি¤œ ছিল বলে তিনি জানান।
পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি বলতে আগের বছরের নির্দিষ্ট কোন মাসের ভোক্তা মূল্য সূচকের তুলনায় পরের বছর একই মাসে ওই সূচক যতটুকু বাড়ে তার শতকরা হারকে বুঝায়। অন্যদিকে ১২ মাসের পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির গড় করে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হিসাব করা হয়। খাদ্য এবং খাদ্য বহির্ভুত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্য নিয়ে বিবিএস মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যান তৈরি করে। জাতীয় মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি গ্রাম এবং শহরের মূল্যস্ফীতির আলাদা হিসাব করা হয়ে থাকে।
বিবিএসের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ডিসেম্বরে সার্বিকভাবে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩৮ শতাংশে,যা তার আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৪১ শতাংশ। খাদ্য বর্হিভূর্ত পণ্যে মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৪৯ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৫ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
অপরদিকে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট হারে কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৪৬ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৭৮ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৮৩ শতাংশ। খাদ্যবহির্ভুত পণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৮৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৪ দশমিক ৬০ শতাংশ।
এছাড়া শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট হারে কম দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ। শহরে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৭৪ শতাংশে। আগের মাসেও মূল্যস্ফীতির হারও ছিল ৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ।অপরদিকে খাদ্য বহির্ভুত পণ্যেও মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৩৫ শতাংশে, যা আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ।- বাসস