ঢাকা শহরে ধূলি দুষণমাত্রার ৩ গুণ বেশি

আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৭, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


ঢাকা শহরে ধূলি দুষণ মাত্রার চেয়ে অপেক্ষা তিনগুণেরও বেশি। পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা অনুযায়ী ধূলিদূষণ মাত্রা যেখানে বাতাসে প্রতি ঘনমিটারে সর্বোচ্চ ১৫০ মাইক্রোগ্রাম, সেখানে শুকনো মওসুমে ঢাকা শহরের ধূলি দুষণের মাত্রা প্রতি ঘনমিটারে ৪৯৯ মাইক্রোগ্রাম।
রবিবার (৯ জুলাই) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকার দলের এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে বিদেশি একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের গবেষণা কার্যক্রমের উদ্ধৃতি দিয়ে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এ তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
ওই সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঢাকা শহরের ধূলি দূষণের অন্যতম কারণ হচ্ছেÍ পাশ্ববর্তী এলাকার বিদ্যমান ইটভাটা, খোলা অবস্থায় নির্মাণ কার্যক্রম পরিচালনা ও যানবাহন।
লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শাহজাহানের প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী জানান, পানি দূষণ নিয়ন্ত্রণে কঠোর অবস্থানের কারণে দেশে বর্জ্য শোধনে এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (ইটিপি) ব্যবহারকারী শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা এক হাজার ৫৫৩টিতে উন্নীত হয়েছে, যা এ পর্যন্ত সনাক্ত করা পানি দূষণকারী মোট শিল্প প্রতিষ্ঠানের ৯০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।
মন্ত্রী জানান, পরিবেশ দুষণ রোধে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৭, ই-ওয়েস্ট বিধিমালা ২০১৭ ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা ২০১৭ এবং জাতীয় পরিবেশ নীতি ২০১৭ এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে।
মন্ত্রী আরো জানান, গত ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে ২০১৬-১৬ অর্থ বছর পর্যন্ত তিন হাজার ১’শ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ট্রাস্ট ফান্ড থেকে ৫০১টি প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২১৩টি প্রকল্প সফলভাবে শেষ হয়েছে।
মো. ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন জানান, রূপসী বাংলা হোটেলের সংস্কার কাজ শেষ করার জন্য অক্টোবর ২০১৭ পর্যন্ত সময় সীমা আবার নির্ধারণ করা হয়েছে। সংস্কার কাজ শেষে হোটেলটি পরিচালনার জন্য ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল গ্রুপস এর নিকট হস্তান্তর করা হবে। প্রয়োজনীয় টেস্টিং, ব্যলেন্সিং, কমিশনিং এর পর এ বছরের শেষের দিকে এটি উদ্বোধন করা হবে।
তথ্যসসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন