তরুণরা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম || গণগবেষক সম্মেলনে বক্তারা

আপডেট: ডিসেম্বর ৩০, ২০১৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা, সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ, কুসংস্কার, অসচেতনতা, তথ্যের অভাব ইত্যাদি ক্ষেত্রে দেশের তরুণদের সংগঠিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি তৃণমূলের জনগণের ন্যায়বিচার প্রাপ্তিতে তরুণদের লব্ধ জ্ঞান ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখতে সক্ষম। ব্রতী’র তরুণদের নিয়ে গঠিত গণগবেষক দল এর এক অনন্য দৃষ্টান্ত। স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ব্রতী’র প্রকল্প বাস্তবায়নের বাস্তব অভিজ্ঞতা, তরুণদের সংগঠিত গণগবেষক দলগুলো সমাজ পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং উপস্থিত আলোচকবৃন্দের বক্তব্যে এ সকল বিষয় উঠে আসে।
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ব্রতী’র আয়োজনে ইউকে এইড-এর অর্থায়নে কমিউনিটি লিগ্যাল সার্ভিসেস প্রোগামের সহায়তায় ‘আইনি অধিকার সুরক্ষার আন্দোলনে’ গণগবেষক সম্মেলন ২০১৬ গতকাল তানোর মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। ব্রতী’র আইনি সেবা প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারি শশাঙ্ক বরণ রায়ের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তানোর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রহিম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সোনার দেশের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বন্দনা রানী প্রামানিক, তালন্দ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আবুল কাশেম, মহব্বতপুর উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল আলিম শেখ, পাঁচন্দর ইউনিয়নের প্রাত্তন চেয়ারম্যান মো. জামাল উদ্দিন প্রমুখ।
জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সম্মিলিত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত উচ্চারণ এবং শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্তকরণের মধ্য দিয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। ব্রতী’র আইনি সেবা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে  আইন বিষয়ে সচেতন করা, সরাসরি সহায়তা প্রদান, আদিবাসীদের প্রথাগত বিচার ব্যবস্থা সংরক্ষণ এবং গ্রামীণ তরুণদের দক্ষ আইনি সেবক হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে। সংগঠিত ও প্রশিক্ষিত এ তরুণ দল আতেœান্নয়নের পাশাপাশি, নিজ উদ্যোগে নিজ গ্রামে সামাজিক আন্দোলন পরিচালনা করছে। যার ধারাবাহিকতায় সম্মেলনে আগত এ সকল তরুণদের সংগঠিত গণগবেষক দলগুলো সমাজ পরিবর্তনে তাদের  ইতিবাচক অংশগ্রহণের এবং কাজের অভিজ্ঞতা বিনিময়, অর্জনসমূহ বর্ণনা, নিজ নিজ এলাকায় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় ভবিষ্যত পরিকল্পনা এবং সাংস্কৃতিক দক্ষতা তুলে ধরে। দিন ব্যাপী এ সম্মেলনের শেষে গণগবেষক সদস্যরা তাদের সংগঠিত গণগবেষক দলগুলোর মাধ্যমে একটি সুন্দর, ন্যায়পূর্ণ, বৈষম্যমুক্ত সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।