তানোরে এনজিও’র রঙ্গিন সাইনবোর্ডের আড়ালে প্রতারণা চক্র

আপডেট: মার্চ ৩০, ২০১৭, ১২:২৩ পূর্বাহ্ণ

তানোর প্রতিনিধি


রাজশাহীর তানোর আনাচে-কানাচে গড়ে উঠেছে দুই শতাধিক এনজিও। সরকারি অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন নামের রঙ্গিন সাইনবোর্ড লাগিয়ে এনজিও খুলে বসেছে প্রতারক ব্যবসায়ীরা। রঙ্গিন সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে বিভিন্ন রকমের সুযোগ-সুবিধার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে রাতারাতি উধাও হয়ে যাচ্ছে এসব কথিত এনজিও। আর এইসব এনজিওর বিভিন্ন সুযোগ সুবিধার প্রলোভনে পড়ে সর্বস্ব হারাচ্ছে সাধারণ মানুষ।
তানোর উপজেলা প্রশাসনের নজর না থাকায় এইসব কথিত এনজিও দিনের পর দিন বেপোয়ারা হয়ে উঠছে। গতকাল বুধবার তানোর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখো গেছে, তানোরে সরকারি অফিস যত না আছে তার ৩ গুন বেশি বেসরকারি এনজিও। তানোর বাজার জুড়ে প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি হরেকরকম সরকারি অনুমোদনহীন বেসরকারি এনজিও রয়েছে।
এছাড়াও তানোর মুন্ডুমালা, কৃষ্ণপুর, কলমা বিল্লি বাজার, চৌবাড়িয়া বাজার, মাদারিপুর বাজার, তালন্দ বাজার, কালীগঞ্জহাট, চাঁন্দুড়িয়া বাজারসহ বিভিন্ন পাড়া গ্রামে বাড়ি ভাড়া নিয়ে দেদারসে চালাচ্ছে অনুমোদনহীন এসব কথিত এনজিও। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসনের নজর না থাকায় যত্রতত্র বিভিন্ন নামকরন দিয়ে সাধারণ মানুষকে ঠকাচ্ছে এইসব এনজিওগুলো। যদি প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে এসব এনজিও বসে তাহলে সাধারণ মানুষের মধ্যে সাহস থাকতো যে আমানত জমা রেখে সময়মতো আবার আমানত ফেরত পাবো। কেননা উপজেলা প্রশাসনের নজরে আছে এনজিওগুলো বলে মনে করতেন সাধারণ মানুষ। এসব কথিত এনজিওর উপর ঊর্দ্ধতন কর্মকর্তার জরুরি দৃষ্টি আর্কষন কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
এ ব্যাপারে সমাজসেবা অফিসার মতিনুর রহমান জানান, ইতোমধ্যে উপজেলার সকল এনজিওর তালিকা করা শুরু হয়েছে। পুরো তালিকা হাতে পেলেই বুঝা যাবে সরকার অনুমদহীন কয়টি এনজিও আছে।
এ বিষয়ে তানোর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শওকাত আলী জানান, সমাজসেবা অফিসারকে উপজেলার সকল এনজিও তালিকা তৈরি করতে বলা হয়েছে। তালিকা হাতে পেলে এ সকল এনজিওর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ