তানোরে পশু হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই

আপডেট: জুলাই ২৪, ২০২০, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ

লুৎফর রহমান. তানোর :


করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গণজমায়েত থেকে দূরে থাকার কথা। কিন্তু সরকারি এ নির্দেশনা অমান্য করে তানোর উপজেলায় বিভিন্ন হাটবাজারে বসেছে পশুহাট। সামাজিক দূরত্বের বালাই না রেখে এসব পশুহাট বসায় উদ্বিগ্ন সচেতন মহল।
পশু বেচাকেনার জন্য এসব হাটে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হওয়ায় ভাইরাস সংক্রমণে মারাত্মক আশঙ্কা রয়েছে। সপ্তাহে প্রতি সোমবার বসে মু-ুমালা, মঙ্গলবার ও শুক্রবার তানোর ও চৌবাড়িয়া পশুহাট বসে।
করোনাভাইরাস সম্পর্কে মানুষকে সজাগ করে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের উদ্যোগে সর্বত্রই চলছে মাইকিং ও প্রচার-প্রচারণা। কিন্তু উপজেলার বিভিন্ন হাটে পশুর পাশাপাশি ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড় ও ধুলা-ময়লার মধ্যে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে বেচাকেনা। হাঁচি-কাশি, থুথু ফেলা, হাত মেলানো, কোলাকুলি করাসহ বন্ধ নেই সংস্পর্শে আসা- কোনো কিছুই।
ক্রেতা-বিক্রেতারা জানান, ঝুঁকি জেনেও জীবিকার তাগিদেই তারা বাজারে এসেছেন। তানোর বাধাইড় এলাকা থেকে জাহাঙ্গীর ও নাজমুল হোসেন নামে দুই গরু বিক্রেতা বলেন, বাজারে কেউই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না।
অভিযোগ রয়েছে অতিরিক্ত খাজনা আদায়েরও। একটি ছাগল কেনা-বেচায় ৪০ টাকার স্থলে ৩০০ টাকা এবং একটি গরু-মহিষ কেনা-বেচায় ২৪০ টাকার স্থলে আদায় করা হচ্ছে ৫৫০ টাকা। খাজনা রসিদে টাকার পরিমাণ না লিখে পরিশোধ লেখা হচ্ছে।
হাটের ইজারাদার রবিউল ইসলাম জানান, প্রশাসনের তরফ থেকে আমাদেরকে এ বিষয়ে কোনো দিকনির্দেশনা দেয়া হয়নি। তারপরও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের বলা হয়েছে।
হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তানোর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রোজি আরা বলেন, পশুহাটে সামাজিক দূরত্ব না মানলে করোনা সংক্রমণে হার বাড়তে পারে।
এনিয়ে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও হাটবাজার ইজারা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি সুশান্ত কুমার মাহাতো বলেন, এরই মধ্যে ইজারাদারকে সতর্ক করা হয়েছে। যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পশুর হাট বসানোর জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ