তানোরে বালাইনাশক লাইসেন্স নিয়ে রাসায়নিক সারের ব্যবসা ঠকতে হচ্ছে কৃষকদের

আপডেট: মার্চ ৮, ২০১৭, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ

তানোর প্রতিনিধি



রাজশাহীর তানোরে সরকারি নিয়ম-নীতিকে তোয়াক্কা না করে বালাইনাশক লাইসেন্স নিয়ে রাসায়ানিক সারের রমরমা ব্যবসা করার অভিযোগ উঠেছে। ডিলারদের কাছে রাসায়নিক সার কম দামে পাওয়া যায় কিন্তু বালাইনাশকদের কাছে সার কিনলে বেশি দাম নেয়। এতে করে গরীব কৃষকদের প্রতিনিয়ত ঠকতে হচ্ছে।
সরজমিনে উপজেলার কলামা, কামারগাঁ, তালন্দ, বাধাইড়, পাঁচন্দর, চান্দুয়িা সরনজাই, তানোর ও মুন্ডুমালা পৌরসভার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, গ্রামের ভিতরে ও মোড়ে মোড়ে লাইসেন্সধারী বালাইনাশকের দোকানে বালাইনাশকের পাশাপাশি রাসায়নিক সার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে ইউরিয়া, পটাশ, টিএসপি ও ডিএপি সার রয়েছে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন ও দুইটি পৌর এলাকায় ২৩০ জন বালাইনাশক লাইসেন্সধারী ব্যবসায়ী আছে। তারা শুধু বালাইনাশক বিক্রির অঙ্গীকার করে কৃষি অফিস থেকে লাইসেন্স গ্রহণ করে। কোন বালাইনাশক ব্যবসায়ীরা রাসায়নিক সার বিক্রি করতে পারবে না। তবে যাদের সাবডিলার হিসেবে নিয়োগ আছে তারা বালাইনাশকের পাশাপাশি রাসায়নিক সার বিক্রি করতে পারবে বলে কৃষি অফিস জানায়।
এনিয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি অফিসার সাইফুল্লা আহম্মেদ জানান, আমার যোগদানের পরে আমি মাঠ পরিদর্শন করেছি। যাদের কাছে রাসায়নিক সার পাওয়া গেছে প্রথমবারের মতো তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে। তারপরেও যদি কোন বালাইনাশক ব্যবসায়ী রাসায়নিক সার বিক্রি করে, তাহলে তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শওকাত আলী বলেন, এ বিষয়ে আমার জানা নেই। তবে যদি কেউ বালাইনাশক ব্যবসায়ী হয়ে রাসায়নিক সার বিক্রি করে তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ