তামিমের আরেক রেকর্ড

আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০১৭, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে আবারো আউট হয়েছেন তামিম

ডানেডিনের কঠিন কন্ডিশনে টেস্ট অভিষেকেই ৫৩ ও ৮৪ রানের দুটি ইনিংস খেলেছিলেন তামিম ইকবাল। এরপর তামিমকে আর পিছু ফিরে তাকাতে হয় নি। এখন তিনি বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসেরই সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। মিরপুরে ক্যারিয়ারের ৫০তম টেস্টে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন দুই ইনিংসেই। টেস্টে তামিম এ নিয়ে দুই ইনিংসেই হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেলেন মোট ছয়বার।
এ রেকর্ডে তামিম অবশ্য সঙ্গী পাচ্ছেন সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান নির্বাচক হাবিবুল বাশারকে। মিলটা এখানেই থামছে না, ৫০ টেস্টে ক্যারিয়ার শেষ করা হাবিবুলের ফিফটিও ২৪টি! তবে সেঞ্চুরির দিক থেকে তামিমই এগিয়ে। তিন সেঞ্চুরি করা হাবিবুলের চেয়ে এদিকে অনেক এগিয়ে তামিম।
তবে গতকাল সেঞ্চুরির সংখ্যায় আরও এগিয়ে যেতে পারতেন তামিম। দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়ে হতাশ করেছেন বাংলাদেশের এ ওপেনার। মিরপুরে প্রথম ইনিংসে ৭১ রান করেছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেওয়ার আগে করেছে ৭৮ রান। টেস্ট ক্যারিয়ারে তামিম এ নিয়ে ২৪টি হাফ সেঞ্চুরি পেলেও তাঁর বিপরীতে সেঞ্চুরি মাত্র ৮! এ পর্যন্ত ৯৬ ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমেছেন তামিম। এর মধ্যে তামিমের ষাটোর্ধ্ব ইনিংসে রয়েছে ১৪টি। অর্থাৎ, এ ইনিংসগুলোর মধ্যে বেশ কটি সেঞ্চুরি পেতে পারতেন তামিম।
স্টাইলিশ এ ওপেনার দুই ইনিংসেই প্রথম হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছিলেন ২০০৮ অভিষেক টেস্টেই। দুই বছর পর ঢাকা টেস্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলেছিলেন ৮৫ ও ৫২ রানের ইনিংস। এরপর সে বছরই লর্ডস টেস্টে স্বাগতিকদের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে মহাকাব্যিক সেঞ্চুরির (১০৩) আগে প্রথম ইনিংসে হাফ সেঞ্চুরির (৫৫) দেখা পেয়েছিলেন তামিম।
টেস্ট দুই ইনিংসেই হাফ সেঞ্চুরির দেখা পেতে এরপর তামিমকে অপেক্ষা করতে হয় তিন বছর। ২০১৩ ঢাকা টেস্টে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে মাত্র ৫ রানের জন্য সেঞ্চুরিবঞ্চিত হয়েছিলেন তামিম। দ্বিতীয় ইনিংসে করেছিলেন ৭০ রান। পরের বছর চট্টগ্রামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬৫ রান করেন তামিম।-প্রথম আলো অনলাইন