বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী

তাহলে আমরা ‘রাজাকার’দেরই নির্ভুল তালিকা করি!!

আপডেট: December 13, 2019, 1:26 am

ফিকসন ইসলাম


আমাদের প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে পাওয়া শ্রেষ্ঠ অর্জন। বিশ্বসেরা সেনাবাহিনী তথা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধ করে মাত্র নয় মাসে আমরা পৃথিবীর মানচিত্রে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটেছিল আজ থেকে ৪৮ বছর আগে। এবছরেই বাংলাদেশ এবং আমরা মানে বাঙালি জাতি ৪৮ তম বিজয় দিবস উদযাপন করছে এবং এর মাত্র দেড় বছরের মাথায় বাংলাদেশের গৌরবময় স্বাধীনতার ৫০ তম বা সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব পালনের জন্য সারাদেশ তাকিয়ে আছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা প্রাপ্তি সত্যিকার অর্থে একটি গৌরবময় ইতিহাস, যার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান এদেশের মুক্তিকামী দামাল ছেলেরা- যারা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলো। যেখানে মাত্র ৯ মাসে একটি সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে পেরেছি আমরাÑ যা ছিলো সেরা সফলতা, পাশাপাশি অর্ধশত বছর পার হতে চললো এখন পর্যন্ত সেই মহান মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের প্রকৃত সংখ্যা কত সেটা আজ পর্যন্ত সঠিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি- যা আমাদের সবেচেয়ে বড় ব্যর্থতা।
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রধান নায়ক, বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ১৯৭১ সালে এদেশের মানুষ দলমত নির্বিশেষে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে বিশ্বের মানচিত্রে নতুন দেশ তৈরি করতে সময় লেগেছিল মাত্র ৯ মাস। আর এর কুশীলব ছিলেন এদেশেরই শ্রেষ্ঠ সন্তান আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা। অথচ কি দুর্ভাগ্য আমাদের স্বাধীনতার প্রায় অর্ধশত বছর পেরিয়ে যাচ্ছে এখন পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। শুধু তাই নয়, দীর্ঘ ১৭ বছর আগে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় নামে একটি স্বতন্ত্র মন্ত্রণালয় গঠন করা হলেও মুক্তিযোদ্ধার তালিকা আজো প্রণীত হয়নি। আমাদের সবচেয়ে গৌরবোজ্জ্বল অর্জন মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং এই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে কেন এই বিতর্ক শুরু হয়েছে। ৫০ বছরেও কেন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হয়নি। এ প্রশ্বের জবাব কী? দেশ স্বাধীনের পর ১৯৮২-৮৩ সাল পর্যন্ত দেশে কোনো মুক্তিযোদ্ধার তালিকা তৈরি করা হয়নি যদিও মুক্তিযুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমান টানা অর্ধযুগ বা ৬ বছর প্রবল প্রতাপে দেশ পরিচালনা করেছিলেন স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিদের নিয়ে। তদুপরি তিনি কোনো উদ্যোগ নেননি। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ তৎকালীন সেনা প্রধান (বর্তমানে প্রয়াত)
এইচএম এরশাদ ক্ষমতা দখলের পর সামরিক আদেশ (MLO) জারি করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও চেয়ারম্যান হন। অথচ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের বিধিবিধান অনুযায়ী কোনো অমুক্তিযোদ্ধার চেয়ারম্যান বা সদস্য হবার কোনো সুযোগ নেই। জেনারেল এরশাদ মুক্তিযোদ্ধা না হলেও খোদ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের দায়িত্ব নিয়েছিলেন জোর করেই। এটা ছিলো দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মত বিরল ঘটনা। যেখানে কোনো কামান্ডার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও প্রধান পৃষ্ঠপোষক/উপদেষ্টা হবার। এরশাদ সংসদের দায়িত্ব নেবার পর প্রথমবারের মত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা করার উদ্যোগ নেন। প্রথমে তিনি তাঁর অধীনস্থ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এই তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন। এতে সারাদেশে এক লাখের কিছু বেশি মুক্তিযোদ্ধার তালিকা করা হয়েছিলো। তবে এই তালিকা নিয়ে দেশের সর্বমহলে রীতিমত বিতর্কের সৃষ্টি হয়। আসলে কোনো রকম যাচাই বাছাই না করেই বা সঠিক ও যথার্থ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই এই তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছিলো। তাতে করে রাজনৈতিক বিবেচনায় অনেকেই এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলো আবার অনেক প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা বাদ পড়ে যায়। পরবর্তীতে এ প্রক্রিয়া চাপা পড়ে যায়। ১৯৭২-৭৩ সালের দিকে অনেক পরিবারের পক্ষ থেকে দাবী ওঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে শহিদ পরিবারকে ২ হাজার এবং আহতদের ৫০০ এবং এক হাজার টাকা করে এককালীন ভাতা দেয়া হয়েছিলো। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে আর তেমন কোনো কাজ হয়নি।
বাংলাদেশের গৌরবময় ও মহান অর্জনই হচ্ছে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। এই মুক্তিযুদ্ধে যারা অংশ নিয়ে দেশমাতৃকার জন্য লড়াই করেছেন, নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন- তারাই এই দেশ ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। একাত্তরে এত বড় একটি যুদ্ধ হলো, আমরা স্বাধীনতা পেলাম অথচ এর কোনো সঠিক ইতিহাস লেখা হলো না। একেক সময় একেকভাবে ইতিহাস লেখা ও প্রচারের অপচেষ্টা চলেছে। সবচেয়ে বড় কথা মোট কতজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা এই লড়াইয়ে অংশ নিয়েছেন তাদের সঠিক তালিকা প্রণয়ন করতে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। অথচ স্বাধীনতার পরপরই এই কাজটি প্রথম প্রাইরেটি দিয়ে করা উচিৎ ছিলো। তাহলে আজ আর তাদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে এত বিতর্ক হতোনা। ফলে এখন সময় এসেছে দীর্ঘ ৪৮ বছর যখন মুক্তিযোদ্ধাদের নির্ভুল তালিকা তৈরি করা হয়নি তখন প্রকৃত রাজাকারদের তালিকা প্রণয়ন করবে। ২০২১ সাল বাংলাদেশের জন্য এক বিস্ময়কর সময় অপেক্ষা করছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব পালন করা হবে এই বছরে। এর আগের বছর মানে আগামী ২০২০ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন করা হবে ‘মুজিব বর্ষ’ হিসেবে। কিন্তু এর সন্ধিক্ষণে আমাদের দুর্ভাগ্য যে, স্বাধীনতার ৫০ বছরেও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা নিশ্চিত করা যায়নি। নির্ভুল ও সঠিক তথ্য ভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে সকল সরকার। এমন কি এ সংক্রান্ত গঠিত মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের বিভিন্ন রকমের তথ্য দেয়া হয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের। বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে সঠিকভাবে তথ্য যাচাই-বাছাই না করেই মুক্তিযোদ্ধা সনদ দেয়া হয়েছে। এখনো অনেকে মুক্তিযোদ্ধা সনদ নেবার জন্য দৌড়ঝাঁপ করছে। দেওয়াও হচ্ছে। এসকল সনদ দেওয়ার ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না কোনোরকম নিয়ম কানুন। সঠিকভাবে যাচাই বাছাই করা হচ্ছে না। যে যার প্রয়োজনে ও সুবিধা অনুযায়ী মুক্তিযোদ্ধার গেজেট করাচ্ছেন। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ও একেক সময় একেক পরিপত্র প্রজ্ঞাপন জারি করছে।
বছর পাঁচেক আগে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পাঁচ কর্মকর্তা তথা সরকারের নীতি নির্ধারণী ৫ জন সচিব এর ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল করা হয়েছিলো। এই পাঁচজন সরকারের বেশ ক্ষমতাশালী ছিলেন, যাদের একজন খোদ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রাক্তন সচিব- পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের চেয়ারম্যান অ-মুক্তিযোদ্ধা বিসিএস ১৯৮১ ব্যাচের প্রভাবশালী মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান। সবচেয়ে বড় কথা আমাদের দেশের একটা কথা প্রচলন আছে ‘রক্ষকই ভক্ষক’- তেমনি মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত সচিব এইচকে মাসুদ সিদ্দিকী। যার হাতে এই সনদ দেবার ক্ষমতা সরকার অর্পন করেছিলেন সেই সচিবই ভুয়া সনদপত্র গ্রহণ করেছিলো। মহান মুক্তিযুদ্ধের সাথে বেঈমানী করা এই ৫জন সচিব মুক্তিযুদ্ধের সনদ নিয়ে রীতিমত ‘ফৌজদারী’ অপরাধ করেছিলো, অথচ সরকার তাদের কে চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসরের সুযোগ করে দিয়েছিলো।
বর্তমানে গেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ৩৫ হাজার এর মধ্যে সরকারি ভাতা পাচ্ছেন ‘ ১ লাখ ৮৫ হাজার মুক্তিযোদ্ধা। বাকি ৫০ হাজারের ভাতা বন্ধ রয়েছে। কিন্তু কেনই বা তাদের ভাতা বন্ধ তা পরিস্কার করছে না সরকার। তাদের সনদও বাতিল করা হচ্ছে না। তবে তাদের সন্তানেরা এই সনদ দেখিয়ে সরকারি চাকরি বানিয়ে নিয়েছে। ভুল তথ্য উপাত্ত দিয়ে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে তারা মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছে। এদিকে বর্তমান বছরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২৫৭ জনের সনদ বাতিল করেছে। এর মধ্যে বিভিন্ন বাহিনী ও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীও রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে প্রক্রিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে তাতে কেয়ামত পর্যন্ত প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে না!! বর্তমানে যদি এই অবস্থা বিরাজ করে, যাতে করে একে একে নতুন সিদ্ধান্ত হবে। নতুন নতুন পরিপত্র জারি হবে। প্রজ্ঞাপন হবে আর নতুন করে মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা বদল হতে থাকবে তাহলে ‘কেয়ামত’ পর্যন্ত নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন করা সম্ভব হবে না। সে ক্ষেত্রে আমার কি করার আছে? স্কুলে পড়ার সময় পাটিগণিতের অংক করার সময় কিছু কিছু অংক করতে হয়েছিলো যা উল্টোপথে করতে হয়। মানে উত্তর থেকে শুরু করতে হয়। বিশেষ করে বাগান থেকে চোরের লিচু চুরির অংকগুলি। উদাহরণ, এক চোর কোনো বাগানে ঢুকে লিচু চুরি করে দারোয়ান ও অন্যদের ভাগ দিতে দিতে শেষ মেশ তার কাছে যে পরিমাণ লিচু অবশিষ্ট থাকে সেটা ধরে পেছন দিক থেকে হিসাব করে বের করতে হতো প্রকৃত পক্ষে ওই চোর কতটি লিচু চুরি করেছিলো। ফলে স্বাধীনতার ৫০ বছরেও যখন আমরা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা নির্ণয় করতে পারিনি তখনতো ‘প্রকৃত রাজাকারের’ সংখ্যা নির্ণয় করে তাদের নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন করে মোট জনসংখ্যার মানে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে আদম শুমারি অনুযায়ী মোট জনসংখ্যা ছিলো তা থেকে মোট রাজাকারের সংখ্যা বাদ দিলেই তো জনসংখ্যার সমাধান হয়ে যায়। তাহলে আর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে এত কষ্ট করতে হয় না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘আনসার’ অধিশাখাতে নিশ্চয় প্রকৃত রাজাকারের নির্ভুল তালিকা রয়েছে। কারণ ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পরপরই এক অধ্যাদেশ বলে আনসার বাহিনীকে ‘রাজাকার বাহিনীতে রূপান্তর করা হয়েছিলো’। সুতরাং রাজাকারদের নির্ভুল তালিকা বাদ দিলে যারা বাকি থাকবেন সকলেই হবে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা। এ কারণেই এ প্রস্তাব দেয়া হচ্ছে যে মাস তিনেক আগে নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে।‘ প্রবাসে বিশ্বজনমত’ নামে আরেকটি শ্রেণি। এই শ্রেণিতে ওই মাসে মানে সেপ্টেম্বর মাসেই একজনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চিহ্নিত করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন যারা পার্শ্ববর্তী দেশ আমাদের যুদ্ধে সহযোগিতাকারী ভারতে যেতে পারেন নি, তারা (কেবল রাজাকার আলবদর বাদে) কোনো না কোনোভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের খাবার দিয়ে আশ্রয় দিয়ে অথবা অন্য কোনোভাবে সহযোগিতা করেছিলেন। এমন কি ১৯৭১ সালে যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিলো সেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্তকে অগ্রাহ্য করেছিলো- প্রকৃতঅর্থে তারাও মুক্তিযোদ্ধা। কারণ তারা সরাসরি পাকিস্তান সরকারের সিদ্ধান্তকে অগ্রাহ্য করে প্রবাসে বিশ্বজনমত নামে যদি একটি শ্রেণি তৈরি হতে পারে তাহলে মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ কালীন যারা পাকিস্তান সরকারকে কোনো সমর্থন দেয়নি বা সরকারি কর্মকাণ্ডকে চ্যালেজ্ঞ করে তা বাস্তবায়ন করেছিলো তাদের অবদানও প্রবাসে বিশ্বজনমত শ্রেণির চেয়ে কোনো অংশে কম নয়।
লেখক: প্রকৌশলী