তাহলে তো ক্রিকেটই ছেড়ে দিতে হবে পাকিস্তানকে : বিসিবি প্রধান

আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০১৭, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


অস্ট্রেলিয়ার আসার সুখবরটা দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান নিজেই। তার আগেই অবশ্য শুনেছেন একটা দুঃসংবাদ-পাকিস্তান আসতে চাচ্ছে না বাংলাদেশে। কারণ হিসেবে পাকিস্তানের মিডিয়ায় যেটা শোনা যাচ্ছে, সেটা হলো টানা তৃতীয়বার আসতে চায় না তারা এখানে। কারণ যদি তা-ই হয়, তাহলে সেটা নাজমুলের কাছে চরম বিস্ময়কর। একটা দেশ এমন ‘অজুহাত’ দেখিয়ে সফর বাতিল করতে চাইলে, তাদের ক্রিকেট থেকে ‘বিরত’ থাকা উচিত বলে মনে করেন বিসিবি প্রধান।
এ বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর র‌্যাংকিংয়ের প্রথম আট দল সরাসরি নিশ্চিত করবে ২০১৯ সালের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের মূল পর্ব। এর বাইরে থাকলে খেলতে হবে বাছাইপর্ব। পাকিস্তানের বাংলাদেশ সফরে আসার সূচিটা এই র‌্যাংকিংয়ের সময়সীমার মধ্যেই। ঘরের মাঠে শক্তিশালী দল হয়ে উঠা বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হারলে, সেটা নিশ্চিতভাবেই প্রভাব ফেলবে পাকিস্তানের র‌্যাংকিংয়ে। তাই র‌্যাংকিংয়ের হিসাবকেও তাদের না আসার পেছনে কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। নাজমুল অবশ্য তেমনটা মনে করছেন না, ‘অনেক ইস্যু থাকতে পারে। সেটা ওরাই (পাকিস্তান) ভালো বলতে পারে। তবে এটা ঠিক, বাংলাদেশে এসে খেলতে গেলে অনেকেই চিন্তা করবে। কারণ নিশ্চিতভাবেই সামনের আগস্ট-সেপ্টেম্বরে মধ্যে র‌্যাংকিংয়ে ভালো জায়গায় থাকবে হবে বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে হলে। এগুলো তো এখন একটা বিরাট ব্যাপার। আমার মনে হয় না এটা কারণ হতে পারে।’
তাহলে কি, তৃতীয়বার বাংলাদেশে আসাটাই অপছন্দ পাকিস্তানের? বিবিসি সভাপতি কারণটা একেবারে উড়িয়ে দিলেন না, বরং সংবাদমাধ্যমে এমন কথা ওঠায় কিছুটা বিরক্তও হলেন যেন। অন্য দেশগুলোর উদাহরণ টেনে তিনি বললেন, ‘আমি বাইরে যেটা শুনলাম, ওরা নাকি তৃতীয়বার আসবে না। এটা সাংবাদিকদের মাধ্যমেই শুনেছি। বিষয়টা আমি একেবারেই মানতে পারি না। তার মানে কি ওরা ক্রিকেট খেলা ছেড়ে দিচ্ছে? অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দক্ষিণ আফ্রিকায় তো ওদের তিন-চারবার যেতে হবে, তাই নয় কি?’
যদি তা-ই হয়, তাহলে পাকিস্তানের ক্রিকেট ছেড়ে দেওয়া উচিত কিনা, এই প্রশ্নও তুলেছেন নাজমুল, ‘ওরা যদি টানা তিনবার কারও কাছে না যায়, তাহলে তো ওদের খেলা থেকেই বিরত থাকতে হবে, তাই নয় কি? আমার তো মনে হয় না কোনও বোর্ড এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। দেখা যাক ওরা আসলে কী বলতে চায়।’