তৃষ্ণিত

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৭, ১২:১৮ পূর্বাহ্ণ

হুমায়ূন সিরাজ


প্রসূত কোন বেদনা
বহু পুরাতন
একাকিত্বের কোন যন্ত্রনা বহুদিন
হঠাৎ কোন ময়না পাখি প্রস্বরে ডেকে উঠে ওই
যেন প্রচ্ছায়ায় কোন চাঁদের দেশের জ্যোস¯্না আলোতে
প্রত্যুষে জেগে উঠে ভাবে কী তার ঠিকানা
প্লাওসিনের তারা ভরা রাতে
চন্দ্র তপন গ্রহ আলোকে
নদী বিধৌত স্বদেশে পদ্মা মেঘনা যমুনা
স্বাধীকার কোন সময়ে এ যেন অধিকার
প্রচ্ছন্নে কোন মানুষ ঘরে ফেরে
ঘন অরণ্যেতে
কুয়াশার মত শীতল কোন হওয়ায় উড়িয়ে
সোনার বাংলার দ্যোতকে ভাষিক ওই চিত্রে
বাসরীর কোন বাঁশি বৃশ্চিক কোন মানুষে
কর্কটক্রান্তির মাঝে
মনামীর কোন ডাকে
ত্রিমাত্রিক কোন চিত্রে
ঘরে ফিরে দেখছে শূন্যে কুজোর জলে
মহাশূন্যের মত যেন তৃষ্ণা বাড়িয়ে তোলে
গ্যাসের চুলায় পনি ফুটছে
তৃষ্ণার্ত কোন
মানুষ খুঁজছে
তৃষ্ণিত কোন পদার্থ

ঠান্ডা হতে মিনিট খানিক বাকি
ডায়েরীর পাতা খোলা
ডায়েরীতে কিছু আঁকি বুকি

জানালার পর্দা সড়ে বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে
অচিন পুরের কোন বেহালার সুরে
আলো আঁধারির খেলা জেগেছে প্রভাত বেলা
স্বাধীনতার কোন লড়ায়ে বিজয়ের কোন ছন্দে
এরই মাঝে একটি মোড়গের কন্ঠ ডেকে উঠে
কিছু চড়ই এসেই জুটে
শ্যাওলা বাধানো ঘাটে
নৌকা বাধা পটে
ত্রিমাত্রিক কোন চিত্রে
সকালকে আহ্বান
বেঁচে থাকা নিয়ে
ক্ষনিকের কোন ঘোর লাগায় আত্ম সম্মান
ঠান্ডা পানি আবহাওয়ার মত
তৃষ্ণা বাড়িয়ে তৃষ্ণার্থ
লাল সবুজের বিনয়ে
অর্থ বৈজস্ত্রীর বিজয়ে
জ্যামিতিক কোন সুরেরই সাকি
জীবনের কোন উপাসনা
কোন রোজ নামচায় যল্পনা কল্পনা
ফ্রিজে পানিও ঠান্ডা হতেই মিনিট দশেক বাকি
তারপর এক পেয়ালাতে ঠান্ডা পানিও সেবন
বৈজয়ন্তী উত্তোলনে ব্রহ্মান্ড বিজয়
ফিরে পেতে উচ্ছ্বল কোন জীবন
বিশ্বের বিশ্বয়ে সোনারই মানচিত্রে।