ত্রাণ বিতরণে মাঠে থাকবে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ || আগামী ৭দিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বললেন ডিসি

আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২০, ১১:১১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


প্রেস ব্রিফিং করেন জেলা প্রশাসক হামিদুল হক-সোনার দেশ

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক (ডিসি) হামিদুল হক জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ত্রাণ বিতরণ সমন্বয়ের মাধ্যমে সুষ্ঠভাবে বিতরণ করতে ‘কুইক রেসপন্স টিম’ গঠন করা হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংএ তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, রাজশাহী জেয়ার জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যদ্রব্য ও নগদ অর্থ সুনির্দিষ্ট ঠিকানাসহ তালিকাভূক্তদের সাঝে সুষ্ঠভাবে বিতরণ করা হবে। ত্রাণ সহায়তা সরকারী মাল। এটির হিসাব সরকারের কাছে দিতে হবে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আগামী ৭দিনকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে ডিসি বলেন, দেশের এই অবস্থায় প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাহির হওয়া যাবে না। সবাই সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করে চলুন। মোবাইল কোর্ট চলমান আছে। সেনাবাহিনীর সদস্যরা সকাল সাড়ে ৭টা থেকে টহল দিচ্ছে। টিসিবি’র মাধ্যমে প্রতিদিন ন্যয্যমূল্যে খাদ্য সামগ্রী বিক্রয় করা হচ্ছে। বাজারে নিত্যপণ্যের মূল্য স্বাভাবিক আছে। তেল, ডালসহ সবজির সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। পণ্য পরিবহণে কোন বিধি নিষেধ নেই। ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে সহযোগীতা করছে।
হামিদুল হক জাননা, তালিকা থেকে দরিদ্র বা সুবিধাবঞ্চিত কেউ বাদ পড়লে ঠিকানাসহ সুনির্দিষ্ট করে তাদের তালিকা দিলে খাদ্যদ্রব্য দিয়ে সহযোগীতা করা হবে। ত্রাণ বিতরণের সময় যদি কউে স্বজনপ্রীতি করে তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
এসময় রাজশাহী জেলার ত্রাণ বিতরণের চিত্র তুলে ধরে জানান হয়, করোনা পরিস্থিতির কারণে অনেকে কর্মহীন হয়ে পড়ায় রাজশাহী নগরীসহ আটটি উপজেলার ৬০ হাজার ৮০০টি পরিবারের মধ্যে মোট ৬০৮ মেট্রিক টন খাদ্য সামগ্রী ও ৬ হাজার ৭৩৩টি পরিবারের মধ্যে মোট ১০ লক্ষ নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছাড়াও রাজশাহী জেলার ৮টি উপজেলার চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে ১৬ জন চিকিৎসক ও ১৩ জন নার্সসহ ১১৫টি বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। রামেক হাসপাতালেই এখন করোনা টেস্ট করা হচ্ছে। রাজশাহী জেলায় এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোন রোগী পাওয়া যায়নি।