থাইল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২, ১২:০৩ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের একটি মুহূর্ত।

সোনার দেশ ডেস্ক :


বিশ্বকাপে ‘কোয়ালিফাই’ করা কখনোই বাংলাদেশের জন্য বড় কোনও চ্যালেঞ্জ ছিল না। এর আগে তিনবার নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব খেলেছিল। যার মধ্যে দুইবার চ্যাম্পিয়ন এবং একবার রানার্সআপ হয়ে বিশ্বমঞ্চে জায়গাও করে নিয়েছিল।

শুক্রবার থাইল্যান্ডকে ১১ রানে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিতব্য আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ দল।

শুক্রবার বাছাইপর্বের সেমিফাইনালে আগে ব্যাট করে থাইল্যান্ডকে ১১৪ রানের লক্ষ্য দেয় লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। জবাবে খেলতে নেমে বাংলাদেশের তিন স্পিনত্রয়ীর ঘূর্ণি জাদুতে ৬ উইকেটে ১০২ রানে থেমেছে থাইল্যান্ড। ফলে ১১ রানের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে নিগার সুলতানার দল।

নিয়ম অনুযায়ী বাছাইপর্বের চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল দক্ষিণ আফ্রিকায় হতে যাওয়া বিশ্বকাপ খেলার যোগত্য অর্জন করবে। ওই হিসেবে বাংলাদেশ দলের এখন বিশ্বকাপ নিশ্চিত। ইতোমধ্যেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা, বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়াসহ ভারত, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা।

১১৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে থাইল্যান্ড শুরুতেই টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারায়। ১৩ রানে তিন উইকেট হারানো দলকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন নাথাকান চনথাম। তার ৬৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস সত্তে¡ও শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের কাছ হারতে হয়েছে। শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ২২ রান। কিন্তু অভিজ্ঞ সালমার ওভারে মাত্র ১০ রান নিতে পারে থাইল্যান্ডের ব্যাটাররা। শেষ দুই বলে কোন রান তো নিতেই পারেননি, উল্টো দুই উইকেট হারিয়েছে। নাথাকান ৫১ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৬৪ রান করে সালমার শিকার হয়েছেন। ম্যাচসেরাও নাথাকান।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সালমা খাতুন ১৮ রানে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। সানজিদা আক্তার মেঘলা দুটি ও নাহিদা আক্তার নেন একটি উইকেট।
এর আগে আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস হেরে বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পায়। ওপেনিংয়ে ৩৪ রানের জুটি গড়লেও চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। ওপেনার ফারজানা হক ১৭ বলে ১১ রান করে রান আউটের শিকার হন। ৫২ রানের মাথায় পড়ে দ্বিতীয় উইকেট।

মুর্শিদা ফেরেন ৩৫ বলে ২ চারে ২৬ রান করে। এরপর দলীয় ৬৪ রানে অধিনায়ক নিগার সুলতানা ১৭ রানে সাজঘরে ফেরেন। ১৫ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ করতে পারে ৬৪ রান।

শেষ দিকে রুমানার ২৪ বলে ২৮ ও রিতু মনির ১০ বলে ১৭ রানের ক্যামিও ইনিংস লাল-সবুজ জার্সিধারীদের স্কোর ১১৩ রান হতে অবদান রেখেছে।
থাইল্যান্ডের রোসেনান কানোহ, ফানিতা মায়া ও অন্নিচা কামচম্পু ১টি করে উইকেট নেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ