দখলমুক্ত হবার দু’বছরেও সুচিত্রা সেনের পাবনার পৈত্রিক বাড়িতে গড়ে ওঠেনি সংগ্রহশালা

আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০১৭, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ

হাবিবুর রহমান স্বপন



জামায়াতের দখলমুক্ত হবার দু’বছর পরেও সুচিত্রা সেনের পাবনার বাড়িতে গড়ে ওঠেনি সংগ্রহশালা। উচ্চ আদালত বাড়িটি অবমুক্ত করে এখানে একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র করার আদেশ প্রদান করে। সেই আদেশও বাস্তবায়িত হয়নি।
পাবনাবাসীর আন্দোলনের ফলে দীর্ঘ আইনি জটিলতা পেরিয়ে উদ্ধার হওয়া মহানায়িকার স্মৃতিধন্য এ বাড়ি পড়ে আছে অযতœ অবহেলায়। এ বিষয়ে প্রশাসন আমলাতান্ত্রিক জটিলতাকে দুষলেও এ নিয়ে ক্ষোভ বাড়ছে জেলার সংস্কৃতিকর্মীদের মধ্যে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘পাবনার জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় গণ্যামান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে মিটিং করে বাড়িটি সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ১০ লাখ টাকা প্রদান করার পরও বাড়িটির এমন দশা! যা মোটেই কাম্য নয়।’
দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর ২০১৪ সালের ১৬ জুলাই মহানায়িকার বাড়ি দখলমুক্ত করে সেখানে সংগ্রহশালা তৈরির নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পাবনা জেলা প্রশাসন বাড়িটি নিজ দখলে নিলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় এখনো শুরু হয়নি সংগ্রহশালা তৈরির কাজ। অযতœ অবহেলায় মহানায়িকার বাড়ি হারাচ্ছে সৌন্দর্য্য। বাড়ির আঙিনা পরিণত হয়েছে মাদকসেবিদের আখড়ায়। চুরি হয়ে গেছে ভেতরের দরজা জানালা। দেশ বিদেশ থেকে আসা দর্শনার্থীরা ফিরে যাচ্ছেন তালাবদ্ধ বাড়ি দেখেই। এতে চরম ক্ষুব্ধ ও হতাশ জেলার সংস্কৃতিকর্মীরা।
জামায়াত নেতা যুদ্ধাপরাধী আব্দুস সুবহান পরিচালিত ইমাম গাজ্জালী ট্রাস্ট পাবনা শহরের হেম সাগর লেন এর করুণাময় দাস গুপ্তের বাড়িটি লিজ নেয় ১৯৮৭ সালে। ১৯৩১-এর ৬ এপ্রিল জন্ম নেয়া সুচিত্রা সেন বাড়িতেই বড় হয়ে ওঠেন। পাবনা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই (নবম শ্রেণিতে) তার বিয়ে হয়। এরপর থেকেই কিশোরী বেলার বান্ধবীদের কৃষ্ণাদি বাবা-মায়ের দেওয়া নাম রমা দাশগুপ্ত থেকে স্বামীর পদবি নিয়ে রমা সেন সবশেষে স্বপ্নসুন্দরী সুচিত্রা সেন।
বাড়িটি লিজ নিয়ে ইমাম হোসেন একাডেমী নামের একটি স্কুল পরিচালনা করে জামায়াতে ইসলামী। লিজ নেয়া বাড়িটির ছাদ ভেঙ্গে ফেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ। এছাড়া ছাদে ওঠার সিঁড়িও ভেঙে ফেলে। পুরাতন গাছ সমূহ কেটে নেয়।
বাড়িটি উদ্ধারে জেলার সর্বস্তরের মানুষ আন্দোলন শুরু করে। শুরু হয় সুচিত্রা সেন চলচ্চিত্র উৎসব। গণমাধ্যমের ধারাবাহিক প্রচারণায় গতি পায় বাড়ি উদ্ধারের দাবি।
এ প্রসঙ্গে সুচিত্রা সেন চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি কমরেড জাকির হোসেন বলেন, সুচিত্রা সেনের বাড়ি যে প্রত্যাশা নিয়ে আমরা দখলমুক্ত করলাম, তার বর্তমান অবস্থা দেখে আমরা খুবই হতাশ। বারংবার তাগাদা দিয়েও প্রশাসন মহানায়িকার কোন দৃশ্যমান উন্নয়ন করেনি। উচ্চ আদালতের দেয়া রায়েরও বাস্তবায়ন করা হয়নি।
পাবনার অন্যতম নাট্য সংগঠন ড্রামা সার্কেলের সাধারণ সম্পাদক রাসেল রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের প্রত্যাশা ছিল সুচিত্রা সেনের পৈতৃক বাড়িতে একটি সংস্কৃতি কেন্দ্র হবে, জেলার নাট্যকর্মীরা প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবে। কিন্তু দীর্ঘ দু’বছরে সেখানে সাপ-পোকা আর মাদকাসক্তদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। গেট তালাবদ্ধ। এর পরেও দেওয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করছে দুস্কৃতকারীরা।
এ প্রসঙ্গে পাবনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. রুহুল আমিন জানান, প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তর ও শিল্পকলা একাডেমীর মধ্যে কিছু জটিলতা রয়েছে। আমরা এ সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ নিচ্ছি। এছাড়া এ বাড়িকে একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন স্থাপনা গড়ে তোলার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রকল্প পাঠিয়েছি। আশা করছি অচিরেই সংগ্রহশালা তৈরির কাজ শুরু হবে।
পাবনার জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালো এই প্রতিনিধিকে বলেন, বুধবার বাড়িটি দেখ-ভালের জন্য সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব দেয়া হয়েছে পাবনা সদর উপজেলার সহকারি কমিশনার (ভূমি) অসীম কুমারকে।
বাড়ি উদ্ধার এবং প্রাসঙ্গিক কথা


সুচিত্রা সেন এর পিতা করুণাময় দাশগুপ্তের পাবনা শহরস্থ বসত ভিটার দখল ১৭ জুলাই ২০১৪ তারিখে স্থানীয় জেলা প্রশাসন বুঝে নেয়। বাড়িটির সদর দরোজায় যেখানে ছিল পাম গাছÑ সেখানেই বাঁশের খুটি পুঁতে টানানো হয়েছে ‘অর্পিত সম্পত্তির ‘ক’ তফসিলভূক্ত সম্পত্তিটি বর্তমানে জেলা প্রশাসনের দখলে ও নিয়ন্ত্রণে’ শীর্ষক সাইনবোর্ড। স্মরণ করা দরকার :
১৯৪৭-এর ফেব্রুয়ারিতে এই বাড়িতেই সুচিত্রা সেন’র বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। মহানায়িকার শৈশব-কৈশোর-তারুণ্যের দিনগুলো কেটেছে এই বাড়িতেই।
করুণাময় দাশগুপ্ত ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দের মে মাস অবধি পাবনা মিউনিসিপ্যালিটিতে (বর্তমানে পৌরসভা) হেড ক্লার্ক পদে চাকুরি শেষে অবসর নেন। করুণাময় দাশগুপ্ত’র দৃষ্টিনন্দন বাগিচা সমৃদ্ধ এই একতলা পাকা বাড়িটি ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে হাউজ রেন্ট মিস কেস নম্বর-৪ মাধ্যমে জেলা প্রশাসন ভাড়া নেন। ভাড়া বাবদ মালিকের প্রাপ্য জমা হতো স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তানের স্থানীয় শাখায়।
১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে তৎকালিন পাবনার জেলা প্রশাসক সৈয়দুর রহমান ভিপি স্মারক ১১৪ তারিখ ১৩.০৩.১৯৮৭ মাধ্যমে বাড়িটিকে অর্পিত সম্পত্তির তালিকাভুক্ত করবার নির্দেশ দেন। পরে ভিপি মিস কেস-৩ (পাব)/ ১৯৮৬Ñ৮৭ মূলে ইমাম গাজ্জালী ট্রাস্ট-এর চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুস সুবহানকে একসনা ভিত্তিতে বন্দোবস্ত দে’য়া হয়। সেখানে স্থানান্তরিত হয় ইমাম গাজ্জালী ইনস্টিটিউট। ভূমি মন্ত্রণালয় শাখা-৬ এর স্মারক পা-৬/ অস্থায়ী বন্দোবস্ত/ ১০৪/৯১-২৩৩ তারিখ ০৬.০৮.১৯৯১ মারফত তৎকালিন সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দ আখতার হোসেন স্বাক্ষরিত চিঠিতে জানিয়ে দেন…” অর্পিত সম্পত্তি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত না হয় ততদিন … প্রতিষ্ঠানটির অনুকূলে একসনা বন্দোবস্ত অব্যাহত থাকবে।’
পাবনার সাবেক জেলা প্রশাসক এ,কে,এম জাহাঙ্গীর তাঁর স্মারক এল এ/পাব/ কেস নম্বর-০৩/২০০৩-০৪/ ৬৬৬ তারিখ ০২.১১.২০০৩ তারিখে কমিশনার, রাজশাহী বিভাগ, রাজশাহী’র কাছে স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল অধ্যাদেশ-১৯৮২-এর ৫ (১) (এ) ধারা মোতাবেক অধিগ্রহণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত একটি চিঠি দেন। ঐ চিঠিতে ভূমি মন্ত্রণালয়ের শাখা-৫/২ আ: (পাব)-২/২০০২-১৩৫ নম্বর স্মারক তারিখ ০৬.০৮.২০০৩ মোতাবেক অধিগ্রহণের অনুমোদন দেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে সৃষ্টি করা হয় এলএ কেস নম্বর-০৩/২০০৩-০৪-এর। শুরু হয় নানা আনুষ্ঠানিকতা।
২০০৪ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বরে, ইনস্টিটিউটের সুযোগ্য প্রিন্সিপ্যাল সুরাইয়া সুলতানা এবং ট্রাস্ট যোগসাজসে একতলা বাড়ির ছাদটি ভেঙে ফেলেন এবং ছাদ ভাঙা সংক্রান্ত উপকরণ বিক্রির লক্ষাধিক টাকা আত্মসাত করেন।
পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয় রাজস্ব শাখার স্মারক ভিপি মিস কেস নং-০৩ (পাব)/ ১৯/৬৮৬-৮৭/০৯-১৩৯৩ তারিখ ২২.০৬.২০০৯ খ্রিস্টাব্দ মূলে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. সাইদুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিতে ‘স্মৃতি সংগ্রহশালা’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আগামী ০৮.০৭.২০০৯ তারিখের মধ্যে সম্পত্তির দখল ছেড়ে দেওয়ার জন্য’ অধ্যক্ষ, ইমাম গাজ্জালী ইনস্টিটিউট-কে অনুরোধ জানান হয়।
জামায়াত তথা গাজ্জালী ট্রাস্ট, দখল জিইয়ে রাখতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা শুরু করে। জামায়াতিদের রাস্তায় নামানোর কর্মসূচি, বিক্ষোভ, মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদান, সাংবাদিক সম্মেলনের পাশাপাশি জনমত গঠনের জন্য লিফলেট বিতরণ থেকে মহামান্য হাইকোর্টে রীট পিটিশন করেÑ দখল ছেড়ে দেওয়া সংক্রান্ত চিঠির ওপরে ‘স্থগিতাদেশ’ হাসেল করতে সমর্থ হয়।
ইমাম গায্যালী ইনস্টিটিউট তথা গায্যালী ট্রাস্ট তথা জামায়াত কর্তৃক দায়েরি রীটের প্রেক্ষিতে হাসেলকৃত ‘স্থগিতাদেশ’ পাওয়ার পর যথারীতি মামলাটি ‘হিমাগারে’ নিক্ষিপ্ত হয়। কিন্তু বিধি বাম। অবশেষে চলতি বছরের শুরুতে মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ এবং তার বিরুদ্ধে লীভ টু আপিল খারিজ হওয়ায়Ñআলোচ্য সম্পত্তি ‘স্মৃতি সংগ্রহশালা’ প্রতিষ্ঠায় আইনি ‘হ্যাপা’র নিরসন হয়।
কিছু জিজ্ঞাসা :  সুচিত্রা সেন’র বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত এইচ আর মিস-৪/১৯৬০ মামলায় ‘একতলা ভবন’ সরকারের কাছে ভাড়া দিয়েছিলেন। ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে ‘লীজ’ নেওয়ার সময়েও ‘একতলা ভবন’ই ছিল। যখন ফেরৎ দেওয়া হলো, তখন কি বাড়িটির ‘ছাদ’ অবশিষ্ট ছিল? ছাদে ওঠার সিঁড়ি ? সিঁড়িঘরের নিচে স্নানঘর ? সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাড়িটি গ্রহণ করে যদি কোন ‘ইনভেনটরি’ প্রস্তুত করেও থাকেন, সেখানে কি ‘একতলা ভবন’ এর অস্তিত্ব রয়েছে ? লীজের টাকা-পয়সার প্রশ্ন এখানে আর নাই বা তোলা গেল! জামায়াত পরিচালিত স্কুল কর্তৃপক্ষ বলেছে ‘সরকারের অনুমতি সাপেক্ষে লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে বাড়িটি স্কুল উপযোগী করা হয়েছে’ ইত্যাদি। সে সময়কার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কাজী মোঃ আনোয়ারুল হাকিম (!) কি ছিলেন সরকার ? তিনি কি লীজ-সংক্রান্ত আইন বহির্র্ভূত এই নির্দেশ দিয়েছিলেন ? অনুমোদন দিয়েছিলেন ‘ছাদ ভেঙে ফেলার’!
এ বিষয়গুলোর নিষ্পত্তি হওয়ার দরকার আছে বলে মনে করেন সাংস্কৃতিক কর্মীরা। প্রয়োজনে প্রচলিত আইন অনুসারেই আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির পদক্ষেপ নেয়া হবেÑ এটাই আজ সকলের প্রত্যাশা।
পুনশ্চ : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, এম পি, যখন এই বাড়িটিতে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে ‘স্মৃতি সংগ্রহশালা’ প্রতিষ্ঠার কথা উচ্চারণ করেন তখন তা বাস্তবায়নের প্রতি জনসাধারণের দৃষ্টি থাকে সেটাই তো স্বাভাবিক এমন মন্তব্য করলেন বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ক্যাপ্টেন (অব:) ডা. সরোয়ার জাহান ফয়েজ।
পাশের বাড়িটিও অর্পিত-অনাগরিক সম্পত্তি : সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক এই বাড়িটির সীমানা ঘেঁষে  চাকী’দের বাড়ি। চাকী বাড়ির একজন ছিলেন জেলা জজ, নিত্যানন্দ চাকী। একজন ম্যাজিস্ট্রেট। আরেকজন ড. মঞ্জুশ্রী চাকী-সরকার ছিলেন সুচিত্রা সেনের বাল্যকালের সাথী বা ঘনিষ্ট বান্ধবী। কৃতি নৃত্যশিল্পী। ভারতের জাতীয় পুরস্কারে সম্মানিত এক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। বছর কয় হ’ল কানাডায় তিনি পরলোকগমন করেছেন। এই বাড়িটিও অর্পিত-অনাগরিক সম্পত্তি। ভূমিগ্রাসী একটি চক্র এই বাড়িটি দখলের জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। বাড়িটিতে দীর্ঘদিন আয়কর বিভাগের অফিস বা আদালত ছিল। হঠাৎ করে বাড়িটি নিজের দাবি করে একটি মহল মামলা দায়ের করেছে। এ ব্যাপারে জনগণ পাবনার পূর্ববর্তী জেলা প্রশাসককে দায়ী করেছেন। অর্পিতÑঅনাগরিক সম্পত্তি সমূহ এভাবেই সরকারের বেহাত হয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য ইতোপূর্বে পাবনা
ড. মঞ্জুশ্রী চাকী সরকারের স্মৃতি-ধন্য এই পৈত্রিক বাড়িটিসহ পাবনায় বিশাল একটি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে। তবে এই বাড়িটিও সরকারের হাত থেকে অন্য কারো হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা করেছেন সাংস্কৃতিক কর্মীরা।