দাপুটে জয়ে মিশন শুরু চট্টগ্রাম আবাহনীর

আপডেট: অক্টোবর ২০, ২০১৯, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


একেতো ছুটির দিন। তারওপর খেলা স্বাগতিক দল চট্টগ্রাম আবাহনীর। তারপরও গ্যালারির অর্ধেক থাকল ফাঁকা! দর্শক খরার মাঝে নিজেদের দারুণভাবে মেলে ধরল ২০১৫ সালের চ্যাম্পিয়নরা। প্রথমার্ধে তিন গোল দিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া বন্দরনগরীর দলটি উড়িয়ে দিল গতবারের চ্যাম্পিয়নদের।
চট্টগ্রামের এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে শনিবার গতবারের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন টিসি স্পোর্টসের বিপক্ষে ৪-১ গোলে জিতেছে মারুফুল হকের দল। বিজয়ীদের পক্ষে জোড়া গোল করেন চিনেডু ম্যাথিউ। অপর দুই গোলদাতা ইয়াসিন আরাফাত ও লুকা রতকোভিচ।
চতুর্থ মিনিটে প্রথম আক্রমণেই এগিয়ে যেতে পারত চট্টগ্রাম আবাহনী। কিন্তু আরিফুরের শট অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়।
অষ্টম মিনিটে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠে চট্টগ্রামের ফুটবলপ্রেমীরা। বাঁ দিক থেকে আরিফুরের কাটব্যাকে ডান পায়ের শটে জাল খুঁজে নেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড ম্যাথিউ। এগিয়ে যাওয়ার রেশ থাকতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। একাদশ মিনিটে বাঁ দিক থেকে আরাফাতের বাঁকানো শটে পরাস্ত হন গোলরক্ষক।
একের পর এক আক্রমণে মালদ্বীপের দলটিকে কোণঠাসা করে ফেলে চট্টগ্রাম আবাহনী। ৩৭তম মিনিটে সোহেল রানার হেড গোলরক্ষক ফেরানোর পর রতকোভিচের হেড ফিরিয়ে দেয় পোস্ট।
৪০তম মিনিটে সোহেল রানার কাটব্যাকে গোলমুখ থেকে নিখুঁত প্লেসিংয়ে স্কোরলাইন ৩-০ করেন ম্যাথিউ।
দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা গুছিয়ে ওঠে টিসি স্পোর্টস। কিন্তু চট্টগ্রাম আবাহনীর পোস্টের নিচে বড় বাধা হয়েছিলেন মোহাম্মদ নেহাল। ৪৭তম মিনিটে আদম ইশামের হেড গ্লাভসবন্দী করেন এই গোলরক্ষক।
জোড়া গোলদাতা ম্যাথিউকে ৬০তম মিনিটে তুলে মানিক হোসেন মুন্নাকে নামান চট্টগ্রাম আবাহনী কোচ।
১৫ মিনিট পর ডান দিক থেকে আরিফুরের বাড়ানো ক্রস গোলরক্ষকের গ্লাভস গলে বেরিয়ে যাওয়ার পর রতকোভিচ নিখুঁত টোকায় ব্যবধান আরও বাড়ান। একটু পর এই স্ট্রাইকারের ডি-বক্সের একটু ওপর থেকে থেকে নেওয়া শট ক্রসবারের ওপর দিয়ে উড়ে যায়। শেষ দিকে মোহাম্মদ সামির ক্রসে ইসমাইল ইসা হেডে জাল খুঁজে নিলে ব্যবধান কমানো একমাত্র গোলটি পায় টিসি স্পোর্টস।