দিনাজপুরে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি

আপডেট: মার্চ ২৯, ২০১৭, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

দিনাজপুর প্রতিনিধি  


দিনাজপরে পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে। পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও পেনশন সুবিধা সরকারি তহবিল হতে প্রদানের দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী দিনাজপুর পৌরসভার সামনে পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন চলাকালে পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারী এসোসিয়েশন দিনাজপুর পৌরসভা কমিটির সভাপতি মো. মজিবুর রহমান বাচ্চুর সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন দিনাজপুর পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. রেহাতুল ইসলাম খোকা, পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারি অ্যাসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় নেতা মো. নুরুল হুদা, রংপুর বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও দিনাজপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. হাবিবুর রহমান, বিরামপুর পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়জুল ইসলাম, কর্মকর্তা-কর্মচারি অ্যাসোসিয়েশন দিনাজপুর জেলা কমিটির সভাপতি মো. রইচ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক মো. লাইসুর রহমান চৌধুরী, দিনাজপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. বদিউজ্জামান ফারুকী জুয়েল, মীর তোফাজ্জাল হোসেন, প্রবীন সংগঠক মো. আমজাদ আলী, পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারি এসোসিয়েশন জেলা কমিটির সহসভাপতি ও বীরগঞ্জ পৌরসভার কর নির্ধারক মো. হারুন অর রশিদ, দিনাজপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌলশী মো. ময়েজ উদ্দিন, বীরগঞ্জ পৌরসভার কর্মকর্তা মো. রুস্তম আলী, বীরগঞ্জ উপজেলা কমিটির সভাপতি মো. হারুন অর রশিদ, বিরামপুর পৌরসভার সচিব মো. সেরাফুল ইসলাম, পার্বতীপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী মো. মিনহাজুল ইসলাম খান হোসেল প্রমূখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সংবিধান, আইন ও সরকারী গেজেট মতে প্রতিটি পৌরসভা প্রশাসনের একটি অংশ হিসেবে গণ্য যা উক্ত আইনের ৫ ধারায় স্বীকৃত। স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান-এলজিইডি, ডিপিএইচই, ওয়াসা, উপজেলা পরিষদ, সমবায় অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সকল সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারী তহবিল হতে বেতন-ভাতা-পেনশন প্রদান করা হলেও পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারিদের বেলায় তা হয় না। তারা মাসের পর মাস, কোন কোন পৌরসভায় ২-৪০ মাস পর্যন্ত বেতন না পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে জীবন যাপন করছেন। চাকরী শেষে অবসরে যাওয়া কর্মীরা গ্রাচুইটির টাকা না পাওয়ায় মৃত্যুর পর শেষকৃত্যের সময় চাঁদা তুলতে হয়। যা লজ্জা ও অপমানজনক। অবিলম্বে সরকারের এই দ্বৈতনীতি প্রত্যাহার করে পৌরসভা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও পেনশন সুবিধা সরকারের রাজস্ব তহবিল হতে প্রদানের দাবী জানান বক্তারা।
মানববন্ধনে বিরামপুর, পার্বতীপুর, বীরগঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।  দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম স্মারকিলিপি গ্রহণ করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ