দুর্গাপুরে ব্যাংক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাত ও জমি দখলের অভিযোগ

আপডেট: ডিসেম্বর ৩১, ২০১৬, ১২:২১ পূর্বাহ্ণ

দুর্গাপুর প্রতিনিধি


আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের দুর্গাপুর শাখার জুনিয়র ক্যাশ অফিসার মাসুদ রানার বিরুদ্ধে চাকরি দেয়া ও ব্যাংক থেকে ঋণ পাস করে দেয়ার নাম করে অর্থ আত্মসাত ও প্রতিবন্ধী সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর গত ৬ ডিসেম্বর লিখিতভাবে অভিযোগ করেছেন দুর্গাপুর পৌর সদরের কয়েকজন বাসিন্দা। তবে এ অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন মাসুদ রানা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের দুর্গাপুর শাখার জুনিয়র ক্যাশ অফিসার মাসুদ রানা ওই ব্যাংকে চাকরি দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ও ব্যাংক থেকে ঋণ পাস করে দেয়ার নাম করে দুর্গাপুর পৌর সদরের মোস্তফা কামাল, সাইফুর রহমান, আল হামরা পারভীন, আল মামুন, শফিকুল ইসলাম ও মহসিন আলীর কাছ থেকে মোটা অঙ্কের অর্থ নিয়েছেন। চাকরি এবং ঋণ কোনটাই দিতে না পারায় ভুক্তভোগীরা পরবর্তীতে মাসুদ রানার কাছে টাকা ফেরত চাইলে সে বিভিন্নভাবে সময় ক্ষেপণ করতে থাকেন। অন্যদিকে একটি প্রতিবন্ধী সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে পৌর সদরের কালিদহ মৌজায় জনৈক মুনসুর রহমানের জমি দখলে নেয়ার অভিযোগ করা হয়েছে লিখিত অভিযোগে।
জমির মালিক মুনসুর রহমান তার অভিযোগে বলেন, তিনি প্রায় ১২ বছর আগে তার বাড়ির পাশেই একটি জমি কিনেন। ওই জমির পাশেই কিছু জমি কিনেন মাসুদ রানা। কিন্তু পুরো জমি দখলে নিতে একটি প্রতিবন্ধী সংগঠনের নাম ব্যবহার করেন তিনি। অথচ সেই জমি মাসুদ রানার নিজের নামে রেজিস্ট্রি করা। মুনসুর রহমানসহ অন্য ভুক্তভোগীরা মাসুদ রানার অত্যাচার থেকে বাঁচতে ও টাকা ফেরত পেতে গত ৬ ডিসেম্বর আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে ব্যাংক কর্মকর্তা মাসুদ রানা অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। জমি দখলের বিষয়ে তিনি বলেন, যে জমিটি তিনি কিনেছেন তার পাশেই রয়েছে মুনসুর রহমানের জমি। দখল নয় বরং রাস্তার পাশের জমিটি তিনি দাবি করেছিলেন। সেখানে তিনি একটি প্রতিবন্ধী সংগঠনের জন্য স্কুল ঘর নির্মাণ করবেন বলে জানান। তবে অন্য ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রিকৃত জমিতে স্কুল ঘর করা যায় কিনা এমন প্রশ্নের কোন উত্তর তিনি দেন নি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ