দুর্গাপুরে সালিশী বৈঠকে দুইপক্ষের সংর্ঘষে আহত ১৫

আপডেট: ডিসেম্বর ২৪, ২০১৬, ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ

দুর্গাপুর প্রতিনিধি


দুর্গাপুরে পান চোরের বিষয়ে সালিশ বৈঠক দুুইপক্ষের সংর্ঘষে কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছে। গত বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে দুর্গাপুর পৌরসদর দেবীপুর খুলুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের সময় খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের দুর্গাপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
থানার পুলিশ ও স্থানীয় গ্রাম মাতব্বর আবদুস সাত্তার জানান, গত রোববার দুর্গাপুর পৌরসদর দেবীপুর খুলুপাড়া গ্রামের জোবেদ প্রামানিকের পানবরজে সন্ধ্যার একটু আগে পানচুরির উদ্দেশ্যে একই গ্রামের আবদুর রহমানের বিদেশ ফেরত ছেলে আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রী পানবরজে প্রবেশ করে। এসময় বরজের মালিক ওই বরজে গেলে আলাউদ্দিন ও তার স্ত্রীকে পান ভাঙতে দেখতে পায়। এসময় তিনি তাদের আটকানোর চেষ্টা করলে তারা পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি পানবরজ মালিক গ্রাম মাতব্বর আবদুস সাত্তারকে জানালে উভয় পক্ষকেই ডেকে বুধবার রাতে সালিশী বৈঠকের দিন নির্ধারণ করা হয়।
বুধবার রাত ৯টার দিকে দুই পক্ষই সালিশি বৈঠকে উপস্থিতি হলে সালিশী কার্যক্রম শুরু করেন গ্রাম মাতব্বরসহ স্থানীয় এলাকাবাসী। এসময় স্থানীয় কাউন্সিলর সামসুল ইসলাম সালিশী বৈঠকে উপস্থিত হলে দুইপক্ষের মধ্যেই গুঞ্জন চলতে থাকে কে সালিশী বৈঠকের সভাপতিত্ব করবেন। এ নিয়ে এক পর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতান্ডা শুরু হলে এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে লাঠি-সোঠা নিয়ে সংর্ঘষ বেধে যায়। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়।
আহতরা হলেন, দুর্গাপুর পৌরসদর দেবীপুর গ্রামের আবুল হোসেন (৪৫), আবদুস সালাম (৪৮) এনামুল হক (২৫), আলাউদ্দিন (৩০), কছিমুদ্দিন (৪২), লোবা মন্ডল (৫০)  আবু হোসেন (৪০), মলা হোসেন (২৫), জোবেদ প্রামানিক (৩০), সালিম উদ্দিন (৩৫)। এছাড়াও আরো ৫ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ায় তাদের নাম জানা যায় নি। আহতের দুর্গাপুর ও রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। তবে এ বিষয়ে কোন পক্ষই অভিযোগ দায়ের করে নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।