দুর্গা পুজা এবং প্রচলনের ইতিবৃত্ত

আপডেট: অক্টোবর ১৩, ২০১৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ণ

শাহ মো. জিয়াউদ্দিন
বাঙালি হিন্দু ধর্ম অনুসারীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব হলো দূর্গাপুজা। তবে বাঙলা অঞ্চলের অনেক আদিবাসীদের মাঝে একটু ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এই দূর্গাাকেই পুজা করতে দেখা যায়। দূর্গাপুজাকে শারদীয় উৎসব হিসাবে অভিহিত করা হয়। প্রাচীন কাল থেকেই দুর্গাপুজার সার্বজনিনতা ছিল তাই শরতের এই মহাউৎসবকে বাংলাদেশে সার্বজনিন দূর্গাপুজা বলে অভিহিত করা হয়। দূর্গাপুজা ভারত, বাংলাদেশ ও নেপালসহ ভারতীয় উপমহাদেশে ও বিশ্বের একাধিক রাষ্ট্রে পালিত হয়ে থাকে। তবে বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব হওয়ায় বাংলাদেশ, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ত্রিপুরা, আসাম, বিহার, ঝাড়খ- এবং ঔড়িষা রাজ্যে বেশ জাকজমকপূর্ণভাবে দূর্গাপুজা পালিত হয়। ভারতের অন্যান্য রাজ্যে যেখানে প্রবাসী হিন্দু বাঙালি ও স্থানীয় জনসাধারণ নিজ নিজ প্রথা মাফিক দূর্গাপুজা এবং নবরাত্রি উৎসব পালন করে ।
দূর্গাপুজা বা দূর্গা উৎসব হল হিন্দু দেবী দূর্গার পুজাকে কেন্দ্র্র করে প্রচলিত একটি উৎসব। দূর্গাপুজা সমগ্র হিন্দু সমাজেই প্রচলিত। তবে বাঙালি হিন্দু সমাজে এটি অন্যতম বিশেষ ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব। আশ্বিন বা চৈত্র মাসের শুক্ল পক্ষে দূর্গাপুজা করা হয়। আশ্বিন মাসের দূর্গাপুজাকে শারদীয়া দূর্গাপুজা এবং চৈত্র মাসের দূর্গাপুজাকে বাসন্তী পুজা নামে পরিচিত। শারদীয় দূর্গাপুজার জনপ্রিয়তা বেশি। বিশেষ করে বাঙালি অধ্যুষিত অঞ্চলে শারদীয় দূর্গাপুজা ব্যাপকভাবে পালন করা হয়। দূর্গাপুজার প্রচলন কবে থেকে শুরু হয়েছে তা নিয়ে নানা মতভেদ রয়েছে। তবে পৌরাণিক কাহিনী থেকে জানা যায়, কৃত্তিবাস ওঝার রামায়ণে রাবণ বধের জন্য রামের দূর্গাপুজার পৌরণিক কাহিনীটি উল্লেখ আছে। দূর্গাপুজা বসন্তকালের উৎসব হলেও রাম শরৎকালে তার পুজা করেছিলেন। এই পুজা অকালবোধন নামে পরিচিত। তাই বাসন্তী পুজা এখনও প্রচলিত থাকলেও শারদীয় দূর্গা উৎসব মহাসমারোহে পালিত হয়। সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠী তিথি থেকে দশমী তিথি পর্যন্ত এই পুজা পালিত হয়। বাঙালিরা এই উৎসবকে হিমালয়ের দেবী দুর্গার বাপের বাড়িতে ফেরার অনুষ্ঠান হিসাবে দেখে। বাঙালি সমাজে এই পুজার উৎসবে নতুন পোশাক পড়ার প্রচলন রয়েছে। পুজার সময় পুজাম-পে ঘুরে প্রতিমা দর্শনও একটি বিশেষ প্রথা। ব্রক্ষ্মবৈবর্ত পুরাণে কৃষ্ণকে দুর্গা পুজার প্রবর্তক বলা হয়েছে। বিভিন্ন দেবদেবীরা কীভাবে দূর্গাপুজা করেছে তার একটি তালিকা পুরাণে পাওয়া যায়। সৃষ্টির প্রথম যুগে পরমাত্মা কৃষ্ণ বৈকুণ্ঠের আদি বৃন্দাবনের মহাসারাসম-লে প্রথম দূর্গা পুজা করেন। এরপর মধু ও কৈটভ নামের দুই অসুরের ভয়ে ব্রক্ষ্মা দ্বিতীয় দূর্গা পুজা করেন। ত্রিপুর নামে এক অসুরের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শিব বিপদে পড়ে তৃতীয় দূর্গা পুজার আয়োজন করেন। দুর্বাসা মুণির অভিশাপে লক্ষ্মীকে হারিয়ে ইন্দ্র যে পুজাটি করেছিলেন সেটি ছিল চতুর্থ দূর্গা পুজা। এরপর থেকেই পৃথিবীতে মুণি ঋষির , সিদ্ধপুরুষ, দেবতা ও মানুষেরা নানা দেশে নানা সময়ে দূর্গা পুজা করে আসছে। শক্তি ধর্মের অন্যতম প্রধান গ্রন্থ দেবীভাগবত পুরাণ অনুসারে, ব্রক্ষ্মার মানস পুত্র মনু পৃথিবীর শাসক হয়ে ক্ষীরোদ সাগরের তীরের দুর্গার মাটির মুর্তি  তৈরি করে পুজা করেন। সেই সময় তিনি বাগভত গীত জপ করতেন এবং আহার ও শ্বাস ত্যাগ করে এক পায়ে দাঁড়িয়ে একশো বছর ধরে ঘোর তপস্যা করেন। এর ফলে তিনি শীর্ণ হয়ে পড়লেও কাম ক্রোধ জয় করতে সক্ষম হন। দূর্গানাম চিন্তা করতে করতে সমাধির প্রভাবে স্থাবরে পরিণত হন। তখন দূর্গা প্রীত হয়ে তাকে বর দিতে আসেন। মনু তখন দেবতাদেরও দুর্লভ বর চাইলেন। দুর্গা সেই প্রার্থনা রক্ষা করেন। সেই সঙ্গে দুর্গা তার রাজ্য শাসনের পথ নিষ্কণ্টক করে দেন এবং মনুকে পুত্র লাভের বর দেন।
দূর্গা পুজা কবে কোথায় কখন প্রথম প্রচলন শুরু হয়েছিল তা নিয়ে নানা মতভেদ বিদ্যমান থাকলেও নানা লোককথা থেকে জানা যায়, ভারতে দ্রাবিড় সভ্যতায় মাতৃতান্ত্রিক দ্রাবিড় জাতির মধ্যে মাতৃদেবীর পুজার প্রচলন ছিল। আর্য সভ্যতায় প্রধান্য ছিল দেবতাদের। অনার্য সভ্যতায় প্রধান্য ছিল দেবীদের। দেবীরাই পুজিত হতেন আদ্যশক্তির প্রতীক রূপে। মাতৃতান্ত্রিক পরিবারের গঠন, দায়িত্ববোধ ও উর্বরতা শক্তির সমন্বয়ের কথা বিবেচনা করে অনার্য সমাজে গড়ে উঠে মাতৃপ্রধান দেবী সংস্কৃতির ধারণা। ভারতীয় উপমহাদেশে অবশ্য মাতৃরূপে দেবী সংস্কৃতির ধারণা অতি প্রাচীন। ইতিহাস থেকে প্রমাণ পাওয়া যায়, প্রায় ২২ হাজার বছর পূর্বে ভারতে প্যালিওলিথিক জনগোষ্ঠি থেকেই দেবী পুজা প্রচলিত শুরু হয়। হরপ্পা ও মাহেঞ্জোদারো সভ্যতাতথা সিন্ধু সভ্যতায় এসে তা আরো গ্রহণযোগ্য, আধুনিক ও বিস্তৃত হয়। মাতৃ প্রধান পরিবারের মা-ই প্রধান শক্তি, তার নেতৃত্বে সংসার পরিচালিত হয়, তার নেতৃত্বে শত্রু নাশ হয়। তাই মাকে সামনে রেখে দেবীর বিশ্বাস গড়ে উঠে শাক্ত সম্প্রদায় মত। এই মতানুসারে দেবী হলেন শক্তির রূপ, তিনি পরমব্রক্ষ্ম। শাক্ত মতে কালী বিশ্ব সৃষ্টির আদি কারণ। অন্যান্য দেবদেবী মানুষের মঙ্গলার্থে তারা বিভিন্ন রূপে প্রকাশ মাত্র। মহাভারত অনুসারে দূর্গা বিবেচিত হন কালীর আরেক শক্তি রূপে। নানা অমিল ও বৈচিত্রতা থাকা সত্ত্বেও কিভাবে কালী দূর্গার রূপের সাথে মিশে এক হয়ে গেল সে রহস্য আজো অজানা। কেউ কেউ ধারণা করেন, সিন্ধু সভ্যতায় (হরপ্প ও মাহঞ্জোদারো সভ্যতা) দেবী মাতার, ত্রিমস্তক দেবতা, পশুপতি শিবের পুজার প্রচলন  ছিল। দূর্গা শিবের অর্ধাঙ্গিনী- সে হিসাবে দেবী মাতার পুজা হতে পারে। সনাতন ধর্মের আর্য ঋষিরা সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের প্রতীক হিসাবে দেবী দুর্গার আর্শীবাদ লাভের জন্য আরাধনা করতেন। মার্ক-ুয়ে পুরাণ (গধৎশধহফবুধ চঁৎধহধ ) মতে চেদী রাজ বংশের রাজা সুরাথা খ্রীষ্ট্রের জন্মের ৩০০ বছর আগে কলিঙ্গ (বর্তমানে ঔড়িষ্যা) উঁংববযবৎধ নামে দূর্গা পুজার প্রচলন ছিল। নেপালে উঁংববযবৎধ বা উধংযধরহ নামে পুজা হয়। যদিও প্রাচীন ওড়িষ্যার সাথে নেপালের পুজার যোগসূত্র আছে কিনা সে তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। পুরাণ মতে দূর্গা পুজার ইতিহাস আছে কিন্তু ভক্তদের কাছে সেই ইতিহাস প্রমাণিক নয়, বিশ্বাসের।
বঙ্গদেশে প্রথম পুজার প্রচলন শুরু করেন স¤্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) রাজত্ব কালে রাজশাহী জেলার তাহিরপুরের রাজা কংস নারায়ণ। মন্তান্তরে প্রচলিত আছে যে, প্রথম পুজা শুরু হয় নদীয়াতে রাজা কৃষ্ণ চন্দ্রের আমলে (১৭১০-১৭৮৩)। কিন্তু জীমুতবাহনের (আনুমানিক ১০৫০-১১৫০), দুর্গোৎসবনির্ণয়, বিদ্যাপতির (১৩৭৪-১৪৬০) দুর্গভক্তিতরঙ্গিণী, শুলাপাণির (১৩৭৫-১৪৬০) দুর্গোৎসববিবেক, কৃত্তিবাস ওঝার (আনুমানিক ১৩৮১-১৪৬১) রামায়ণ, বাচস্পতি মিশ্রের (১৪২৫-১৪৮০) ক্রিয়া চিন্তামণি, রঘুনন্দনের (১৫শ -১৬শতক) তিথিতত্ত্ব এই সকল গ্রন্থে দূর্গা পুজার বিস্তৃত বর্ণনা থাকায় অনুমান করা হয় যে, বাংলায় দূর্গা পুজা দশ বা একাদশ শতকেই প্রচলিত ছিল। হয়তো কংস নারায়ণ কিংবা রাজা কৃষ্ণ চন্দ্রের সময় থেকে জাকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হতে থাকে।
উনিশ শতকে কলকাতায় মহাসমারোহে দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হতো। অষ্টাদশ শতকের শেষ অব্দি ইউরোপিয়ানরাও দুর্গোৎসবে অংশ গ্রহণ করতো। কোথাও কোথাও যাত্রাগান, পাচালি কবিগানের আসর বসত। ধনিদের বাড়িতে বাইজি ,নর্তকী বা গায়িকারা অংশ নিতো।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে দূর্গাপুজার অস্তিত্ব পাওয়া যায। ১১ শতকে অভিনির্ণয় এ মৈথিলী কবি বিদ্যাপতির দুর্গাভক্তিতরঙ্গিণীতে দূর্গার বন্দনা পাওয়া যায়। বঙ্গে ১৪ শ শতকে দূর্গাপুজার প্রচলন ছিল কি না তা ভালো ভাবে জানা যায় না। ১৫১০ সালে কুচ বংশের রাজা বিশ্ব সিংহ কুচবিহারের দূর্গাপুজার আয়োজন করেছিলেন। ১৬১০ সালে কলকাতার বারিশার রায় চৌধুরীর পরিবারের পূর্ব পুরুষরা প্রথম দূর্গাপুজার আয়োজন করেছিলেন বলে অনেকেরই ধারণা।আধুনিক যুগে দূর্গাপুজার প্রাথমিক ধাপ ১৮তম শতকে নানা বাদ্য যন্ত্র প্রয়োগে ব্যক্তিগতভাবে বিশেষ করে জমিদার বা রাজ কর্মচারীরা আয়োজন করে। বিহারের পাটনাতে ১৮০৯ সালের দূর্গাপুজার ওয়াটার কালার ছবির ডকুমেন্ট পাওয়া গেছে। ওড়িষ্যার রামেশ্বরপুরে একই স্থানে ৪০০শত বছর ধরে স¤্রাট আকবরের আমল থেকে দূর্গাপুজা হয়ে আসছে বলেও ধারণা করা হয়। ১৭৬১ সালে বার ইয়ার বা বারোয়ারি পুজা প্রথম হুগলির গুপ্ত পাড়ার ১২ জন বন্ধু মিলে আয়োজন করে। সম্ভবত সেই থেকে বারো ইয়ারি পুজা শুরু। ১৯১০ সালে সনাতন ধর্মউৎসাহিনী সভা ভবানীপুরে বলরাম বসু ঘাটরেনে, রামাধনমিত্র লেনে, সিকদার বাগানে ঘটা করে বারোইয়ারী পুজার আয়োজন করা হয়।
ভারতীয় দার্শনিক ও ধর্মপ্রচারক স্বামী বিবেকানন্দ সর্ব প্রথম কলকাতার বেলুড় মঠে ৯ জন কুমারীর পুজার মাধ্যমে এর কুমারী পুজার পুণ প্রচলনকরেন। হিন্দু সমাজে বাল্য বিবাহ, সতীদাহ, চির বিধবাসহ নানা অবিচারে নারীরা নিপীড়িত ছিল। চীর কুমার স্বামী বিবেকান্দ নারীকে দেবীর আসনে সম্মানিত করার জন্যই এই পুজার প্রচলন করেছিলেন। তবে এর আগেও অনেক স্থানে কুমারী পুজা হয়েছে। ১৯০১ সালের পর প্রতি বছর দূর্গাপুজার অষ্টম তিথিতে এ পুজা চলে আসছে। আধ্যাত্মিক এবং জাগতিক কল্যাণই এই কুমারী পুজার মূল লক্ষ্য। জগতের দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও অশুভের ভেদাভেদ ভুলে মায়ের কৃপা লাভ করাই মানব জীবনের লক্ষ হোক এই বিশ্বাস করেই দূর্গাপুজার আরাধনা করা হয়।
বাংলায় দেবী দূর্গার যে মূর্তিটি সচরাচর দেখা যায়, পরিবার সমন্বিতা বা সপরিবারে দুর্গামূর্তি। এই মমূর্তর মধ্যস্থলে দেবী দূর্গা সিংহবাহিনী ও মহিষাসুরমর্দিনী। তার মুকুটের উপর  শিবের ছোট মুখ, দেবীর ডানপাশে উপরে দেবী লক্ষ্মী ও নিচে গণেশ, বাম পাশের উপরে দেবী সরস্বতী ও নিচে কার্তিক। কলকাতার সার্বণ রায় চৌধুরীরর পরিবার ১৬১০ সালে দূর্গার সপরিবারের পুজার প্রচলণ করেন বলে ধারণা করা হয়। তবে বাঙলার কোন কোন অঞ্চলে দূর্গা পরিবারের দেবদেবীর অবস্থানের কাঠামোগত কিছু পার্থক্য লক্ষ্য করা গেলেও সারা বাংলায় দেবী দূর্গা সপরিবারে পুজিত হন।
এই প্রসঙ্গে স্বামী প্রমেয়ানন্দের উক্তিটি স্মরণীয়, তিনি বলেছেন, ধনদাত্রী লক্ষী, বিদ্যাদায়িনী সরস্বতী, শৌর্য বীর্যের প্রতীক কার্তিক, সিদ্ধিদাতা গণেশ ও তাদের বাহন সকল মূর্তি সহ মহামহিমাময়ী দূর্গামূর্তির পরিকল্পনা ও পুজা বাংলার নিজস্ব।
বাংলা সংস্কৃতির সাথে দুর্গোৎসব ওতপ্রোতভাবে মিশে আছে। দেবী ধরণীতে আগমনের সময় যে সকল বাহনের কথা পঞ্জিকাতে উল্লেখ থাকে আর সেই সকল বাহনে দেবী ধরাধামে আসলে প্রাকৃতিক আবহাওয়াটার কিরূপ নিতে পারে সেই বিশ্বাস বাঙালির মনোজগতে স্থান করে নিয়েছে।
উৎসবপ্রিয় বাঙালির কাছে দূর্গোৎসব একটি বিশেষ পার্বণ। আরাধনা বা পুজোয় বাঙালি হিন্দু ধর্মানুসারীরা নিবেদিত থাকলেও মন্দিরে মন্দিরে দেবী দর্শনে সকল ধর্ম-বর্ণের মানুষের সমাগম দেখা যায়। সকলেই দূর্গোৎসবকে বাঙালির সংস্কৃতির অন্যতম পার্বণ হিসাবে দেখে আসছে প্রাচীন কাল থেকে। বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িকতার দেশ- প্রাচীনকাল থেকেই এখানের দূর্গোৎসবকে সার্বজনিন উৎসব বলা হয়।
লেখক:- কলামিস্ট