দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের অভিযান প্রধানমন্ত্রীকে পারতেই হবে

আপডেট: জুলাই ১, ২০২৪, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে প্রত্যাশিত সুখবর দিয়েছেন। এই মুহূর্তে দেশের সরব আলোচনা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত এবং বর্তমান কর্মকর্তাদের দুর্নীতির খবর গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশিত ও প্রচারিত হচ্ছে। সারা দেশের মানুষের মুখে মুখে অভিযুক্তদের বিপুল অর্থ-সম্পদের পাহাড় সম্পর্কিত আলোচনা-সমালোচনা। ঠিক এমন্ই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে আশ্বস্ত করলেন যে, সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। দুর্নীতি করলে কারো রক্ষা নাই। শনিবার (২৯ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ২০২৪-২০২৫ সালের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারেও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স দেখানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত হয়েছিল। তাই প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য খুবই আশা জাগানিয়া। প্রধানমন্ত্রী যথন দৃঢ়তার সাথে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুরুর কথা বলেন, তখন আশান্বিত হওয়াই যায়। কেননা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতি ও সদিচ্ছা নিয়ে তেমন কোনো প্রশ্ন নেই। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও সিদ্ধান্ত নেয়ার সক্ষমতার ওপর সকলেই আস্থাশীল। ব্যক্তি শেখ হাসিনার প্রতি আস্থার জায়গাটি দেশবাসীর কাছে এখনো অটুট।
তদুপরি প্রশ্ন থেকেই যায়। প্রশাসন যন্ত্রের পরিকাঠামোর সংস্কার, পরিবর্তন, পরিবর্ধন না করে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান কতটা সফল হবে? হয়তো এ প্রশ্নের উত্তরও প্রধানমন্ত্রীর কাছে আছে। তবে এটা নির্দিধায় বলা যায় যে, দেশের মানুষ দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থাই চায়। ফলে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেশের মানুষ আছেন।
সহসাই দুর্নীতি উৎপাটন হয়ে যাবে- ব্যাপারটি তেমন নয়; কিন্তু দুর্নীতির লাগামটা শক্ত হাতে টেনে ধরতে হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে শুরুটা করতে হবে। দেশের মানুষ কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিভ্রান্ত হলেও তারা ঘুরে দাঁড়াবে। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ দেশকে ভালবাসে। দেশের উচ্চ মর্যাদার সাথে নিজেদের মর্যাদাকে দেখতে চায়। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মধ্যেই স্ েনিবিষ্ট ছোঁয়া আছে। যা ভালবাসার দুয়ার খুলে দেয়। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সদিচ্ছার কোনোই অভাব নেই। এই রাজনৈতিক অঙ্গীকার পুরো দলের মধ্যে সঞ্চারিত হতে হবে। মানুষের বিশ্বাস শেখ হাসিনাই পারবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ