দুর্নীতি দায়ে ডিআইজি মিজানের ১৪ বছরের সাজা বহাল

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪, ৩:০৪ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক :অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় সাময়িক বরখাস্ত ডিআইজি মিজানুর রহমানের ১৪ বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন উচ্চ আদালত।
একই মামলায় মিজানের ছোটভাই মাহবুবুর রহমান, ভাগনে মাহমুদুল হাসান এবং স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্নার ৭ বছর করে কারাদণ্ড হয়।

দুদকের দায়ের এই মামলায় ২০২০-১ জুলাই আগাম জামিন আবেদন করলে ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতারের নির্দেশ-দেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস-এম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। মিজানকে তাৎক্ষণিক পুলিশের হাতে তুলে দেন আদালত। গ্রেফতারের পর তাকে শাহবাগ থানায় নেয়া হয়। ওই বছরের ২ জুলাই মিজানের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়।

মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেফতার করানোর অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া এক সংবাদ পাঠককে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও করা হয়। নারী নির্যাতনের অভিযোগে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।

এরপর দুদক কর্মকর্তার সঙ্গে ঘুস লেনদেনের বিষয়টি সামনে আসার পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ডিআইজি মিজানকে সাময়িক বরখাস্তের একটি প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। ওই বছরের ২৫ জুন তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার প্রস্তাবে অনুমোদন দেন রাষ্ট্রপতি। তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।

২০১৯-এর ২৪ জুন দুদক-র সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) দুদক পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ বাদী হয়ে ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৮ লাখ ৬৮ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ৩ কোটি ৭ লাখ ৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়। এ মামলায় ডিআইজি মিজানসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ২০২০-এর ৩০ জানুয়ারি দুদক-এর পরিচালক মঞ্জুর মোর্শেদ অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
তথ্যসূত্র: জাগো নিউজ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ