দেশের সর্বকনিষ্ঠ সাঁতারু সাবা ও সারা’র পাশে ডিসি আব্দুল জলিল

আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০২১, ১০:০৪ অপরাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:


বঙ্গবন্ধু ৩৪ তম জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতার প্রতিযোগিতায় ৬শো জন সাঁতারুদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সাঁতারু হিসেবে পদক জিতেছে যৌথভাবে রাজশাহীর সাবা ও সারা। নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকার দেশের সর্বকনিষ্ঠ সাঁতারু সাবা ও সারা’র উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে পাশে দাঁড়িয়েছেন জেলা প্রশাসক। মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে তাদের পুরস্কৃত করেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আবদুল জলিল।

জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, ‘এই খুদের সাতারু সাবা ও সারা রাজশাহী বাসির গর্ব। তাই তাঁরা রাজশাহী জেলাকে দেশব্যাপী মর্যাদা ও সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করবে। তাঁদের সুন্দর ও সাফল্য মন্ডিত ভবিষ্যৎ গড়ার ক্ষেত্রে রাজশাহী জেলা প্রশাসন সর্বদা পাশে থাকবে বলে জানান তিনি।’

রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাঁতার প্রশিক্ষক মো. আব্দুর রউফ রিপন জানান, সাবা ও সারাকে নিয়ে একটা স্বপ্ন ছিল জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতা থেকে সর্বকনিষ্ঠ সাঁতারুর পদক জিতবে। আরও যে কয়জন অল্প বয়সী বাচ্চা ছিল তার মধ্যে সবচেয়ে অল্প সময়ের মধ্যে বাইশটা ক্লাসের মধ্যে সাঁতার টা শিখতে পেরেছে সাবা ও সারা। বঙ্গবন্ধু ৩৪ তম জাতীয় বয়সভিত্তিক সাঁতার প্রতিযোগিতায় ৮ থেকে ১০ বছর বালিকা গ্রুপে ৩ বছর বয়সে ৫০ মিটার ও ১০০ মিটার ফ্রিষ্টাইল ইভেন্টে অংশ নিয়ে ৬শো জন সাঁতারুর মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ সাঁতারুর পদক জিতেছে সাবা ও সারা।

তিনি আরো বলেন, রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আবদুল জলিল মহোদয় একজন ক্রিয়ামদী মানুষ। তাই তিনি দেশের সর্বকনিষ্ঠ সাঁতারু সাবা ও সারা’র পাশে দাঁড়িয়েছেন। সে জন্য আমি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের সহযোগিতা পেলে সারা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ে থেকে স্বর্ণ পদক অর্জন করতে পারবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি। এছাড়াও তিনি সাবা ও সারা’র বাবা দস্তগীর আব্দুল্লাহ ও মা মারুফা খাতুনকে সহযোগিতা করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ জানান।

সাবা’র বাবা মোহাম্মদ দস্তগীর আব্দুল্লাহ বলেন, আমার দুই মেয়ে। বড় মেয়ের আয়েশা তাবাসসুম সাবা ও ছোট মেয়ে সাইবা জাফরিন সারা। এবার জাতীয় সাঁতার প্রতিযোগিতায় আমার মেয়েরা যৌথভাবে বাংলাদেশে জাতীয় রেকর্ড করেছে সর্বকনিষ্ঠ সাঁতারু হিসেবে। সেজন্য আমি অনেক আনন্দিত।

তিনি আরো জানান, তাদেরকে সাঁতারু করানোর জন্য আমাকে ছোট থেকেই তাদেরকে গড়ে তুলতে হয়েছে। তারা ছোট থেকে ‘বেঙ্গল মার্শাল আর্ট একাডেমী’তে মার্শাল প্র্যাকটিস করেছে। সাবা ব্ল্যাক বেল্ট ও সারা অরেঞ্জ বেল্ট অর্জন করেছে। আজকে আমার মেয়েরা এটুকু সম্মান অর্জন করতে পেরেছে সেই জন্য আমি অত্যন্ত খুশি ।

এছাড়াও তিনি আরো বলেন, রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি আব্দুল জলিল মহোদয় আমার মেয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন, সে জন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ