ধর্ষক সন্ন্যাসীর পুরুষাঙ্গ কাটল কিশোরী

আপডেট: মে ২১, ২০১৭, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


সাহায্যের নামে কিশোরী বয়স থেকে লাগাতার ধর্ষণ। নির্যাতন সইতে না পেরে ধর্ষক সন্ন্যাসীর পুরুষাঙ্গ কেটে নিল তরুণী। কেরলের তিরুঅনন্তপুরমের ঘটনা। তিরুঅনন্তপুরম মেডিকেল কলেজে ভর্তি ওই ধর্ষক সন্ন্যাসী। স্বামী গণেশানন্দ ওরফে হলি স্বামী বলে পরিচিত সে। কোল্লামের পানমানা আশ্রমের সদস্য। যৌন অপরাধ থেকে শিশু সুরক্ষা আইনে (পস্কো) তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। ২৩ বছর বয়সী ওই নির্যাতিতা আইনের ছাত্রী। তিনি কিশোরী জানিয়েছেন, ‘আমার বাবা পক্ষাঘাতগ্রস্ত। একাবারে শয্যাশায়ী। পুজো-অর্চনা করে তাঁকে সারিয়ে তুলতে কয়েক বছর আগে এক স্বামীজিকে ডেকে আনেন মা। আমাদের বাড়িতে নিয়মিত যাতায়াত শুরু হয় তার। ১৬ বছর বয়সে আমাকে প্রথম ধর্ষণ করে সে। যখনই বাড়িতে আসত শারীরিক নির্যাতন চালাত। ভয়ে কাউকে কিছু বলতে পারিনি। গত শুক্রবার রাতে ফের ধর্ষণের চেষ্টা করে। বাধা দিলে জবরদস্তি শুরু করে দেয়। হাতের কাছেই ধারাল অস্ত্র পড়েছিল। উপায় না দেখে সেটাই চালিয়ে দিই।’ রক্তাক্ত অবস্থায় ছটফট করতে দেখে তরুণীর বাড়ির লোকই ওই সন্ন্যাসীকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষই পুলিশে খবর দেয়। আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র চালিয়েছিল বলে নির্যাতিতার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। পেট্টাই থানার পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, ‘তরুণী জানতেন ওঁর কেউ কথায় বিশ্বাস করবে না। তাই মুখ বুঁজে সব সহ্য করতেন। শুক্রবার রাতে আর পারেননি। উচিত শিক্ষা দিতে চেয়েছিলেন। তাই ধারাল অস্ত্র চালিয়ে দেন। আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র চালিয়েছে বলে  কোনও মামলা দায়ের হয়নি। তবে মানসিক চিকিৎসার জন্য বর্তমানে একটি সরকরি হোমে রাখা হয়েছে তাঁকে।’ তিরুঅনন্তপুরম মেডিকেল কলেজের তরফে একটি বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছে, ৫৪ বছর বয়সী ওই সন্ন্যাসী আদতে কোলামের বাসিন্দা। শুক্রবার রাত ১২টা বেজে ৩৯ মিনিটে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তাকে। পুরুষাঙ্গের প্রায় ৯০ শতাংশ অংশই বাদ পড়েছে। প্লাস্টিক সার্জনরাও কিছু করতে পারেননি। স্বঘোষিত ওই সন্ন্যাসীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন কেরল রাজ্য নারী কমিশনের সদস্য প্রমীলা দেবী।- আজকাল

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ