ধর্ষণ মামলার আসামি আত্মগোপনে সরানো হলো বাসা

আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০১৬, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক



মামলা দায়েরের দীর্ঘ আড়াই মাসেও গ্রেফতার হয়নি নগরীতে প্রতারণামূলক সম্মতি আদায় করে ধর্ষণ মামলার আসামি আতিকুল ইসলাম বাবু (৪৫)। আত্মগোপনে থেকেই দিব্যি ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এরই মধ্যে গোপনে নগরীর ভাটাপাড়া সুফিয়ানের মোড় এলাকার ভাড়া বাসা থেকে যাবতীয় মালামাল সরিয়ে নিয়েছে বাবুর স্বজনরা।
বাদীর অভিযোগ, স্থানীয় প্রভাবশালীরা বিভিন ভাবে চাপ দিচ্ছেন মীমাংসার। মামলা তুলে নিতে হুমকিও আসছে। ফলে ঘটনার সুষ্ঠু বিচার পাওয়া নিয়ে তিনি শঙ্কিত। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও শান্তি নিশ্চিত করতে অভিযুক্ত আতিকুল ইসলামকে দ্রুত গ্রেফতার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ওই নারী।
বাদীর ভাষ্য, একই এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে আতিকুল ইসলাম বাবু ২০১৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর গোপনে তাকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকেই আতিকুল ইসলামের ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রীর মত মেলামেশা করতেন তারা। মাঝে দুদফা গর্ভধারণ করেন তিনি। তাকে নিয়ে গিয়ে বাবু গর্ভপাত করান। সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হলে বিয়ের স্বীকৃতি দাবিতে তিনি স্বামীর বাড়িতে গিয়ে উঠেন। কিন্তু সন্ত্রাসী ডেকে হত্যার হুমকি দিয়ে তাকে বের করে দেয়া হয়।
স্ত্রীর স্বীকৃতি না পাওয়ায় গত ২১ আগস্ট নগরীর রাজপাড়া থানায় মামলা দায়ের করেন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান এ নারী। মামলা নম্বর ৬৬। প্রতারণামূলক সম্মতি আদায় করে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ওই মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পর থেকে আত্মগোপনে রয়েছেন আসামি।  দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও পুলিশ আসামিকে রহস্যজনক কারণে গ্রেফতার করছেনা।
ব্ষিয়টি নিয়ে যোগাযোগ করা হলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নগরীর রাজপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইফতেখার আল আমীনের মুঠোফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি। এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, নিময় মেনেই মামলা চলছে। এছাড়া আসামি পলাতক থাকায় তাকে গ্রেফতার করা যাচ্ছেনা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ