ধর্ষণ মামলায় মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেফতার

আপডেট: জুন ২, ২০২১, ৯:২৪ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক:


বগুড়ার শিবগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির আবাসিক ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আবদুর রহমান মিন্টুকে (৩২) গ্রেফতার করেছে। মঙ্গলবার (১ জুন) রাতে শিবগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজমুল হক জানান, ওই শিক্ষক আরও একাধিক ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে বলে জানা গেছে। বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও এজাহার সূত্র জানায়, মাওলানা আবদুর রহমান মিন্টু শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়নের পার লক্ষ্মীপুর চাঁনপাড়া গ্রামের মৃত সোলাইমান আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বানাইল কলেজপাড়ায় হযরত ফাতেমা (রা.) হাফেজিয়া মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষক। আবাসিক ওই মাদ্রাসায় ১২-১৩ জন ছাত্রী একসঙ্গে হলরুমে থাকে। ওই রুমের পাশেই পরিবার নিয়ে বসবাস করেন শিক্ষক মাওলানা আবদুর রহমান মিন্টু। গত ৩০ মে রাতে খাওয়ার পর ছাত্রীরা সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। রাত প্রায় আড়াইটার দিকে মাওলানা মিন্টু হলরুমে প্রবেশ করেন। তিনি ওই ছাত্রীকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন এবং কাউকে না জানাতে হুমকি দেয়। পরদিন ছাত্রী ফোনে ধর্ষণের বিষয়টি পরিবারকে জানালে তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। ১ জুন বিকালে ছাত্রীর বাবা শিবগঞ্জ থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
শিবগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হাসমত উল্লাহ ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজমুল হক জানান, প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাতেই শিবগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত মাওলানা মিন্টুকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। তিনি পুলিশকে আরও জানিয়েছেন, এর আগেও একই কায়দায় দুই-তিন জন ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে বগুড়া জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতনের শিকার ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তার শারীরিক অসুস্থতা থাকায় আগামী ৭ জুন ডাক্তারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। আদালতে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে ওই শিক্ষককে রিমান্ডে এনে ছাত্রীদের ধর্ষণের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করা হবে।
তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন