ধামইরহাটে করোনা,ডায়রিয়া, সর্দি-কাশির প্রাদুর্ভাব বেড়েছে

আপডেট: জানুয়ারি ২২, ২০২২, ১০:০৬ অপরাহ্ণ

ধামইরহাট প্রতিনিধি:


নতুন করে কোভিড-১৯ ধরন ওমিক্রনের বিস্তার ছড়িয়ে পড়েছে। জনৈক নার্স সেরে উঠতে না উঠতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪ জন নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়েছে। তারা নিজ বাড়িতে চিকিৎসা সেবা নিচ্ছেন। এরা হলেন জাহানপুরের রেবেকা সুলতানা(৩১), সদর উপজেলার প্রধান শিক্ষক খেলাল-ই-রব্বানীর স্ত্রী মনিরা (৪৩), বাজারে আব্দুল মতিনের স্ত্রী আফরোজা(৫০), শিবরামপুর গ্রামের মাইকেল সরেনের কন্যা শিউলী (২৬)।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হিমেল হাওয়া ঠান্ডাজনিত কারণে ডায়রিয়াও ছড়িয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় মুক্তিযোদ্ধা জাহিরুল (৬২) ও নাতনী বেবী (০৫) রিলিস পেলেও নতুন করে আরও ৪ জন গত শনিবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরা হলেন আয়েশা (০৫) ও মনিরা (৪২), জরিনা (৫৫)। জরুরী বিভাগ জানাচ্ছে ঠান্ডাজনিত সর্দি কাশির রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।

স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা স্বপন কুমার জানান, স্বাস্থ্য সুরক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মাস্ক হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সোশ্যাল ডিসটেন্স মানতে কড়াকড়ি বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সাধারণত ৫০-৬০ উর্ধ্ব ১ লাখ ২৬ হাজার ৪৩৩ জন ২য় ডোজ ৮৩ হাজার ৮২৩ জন টিকা নিয়েছে। শিক্ষার্থীদের ১২ উর্ধ্ব ও ১ম ডোজ ১৫ হাজার ২৯৩ জন, ২য় ডোজ ৬০৫ জন টিকা প্রদান করা হয়েছে। ১২ উর্ধ্ব শিক্ষার্থীর জন্য ১৭ হাজার টিকার চাহিদা রয়েছে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক ঘোষণা করেছেন গত শনিবার থেকে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ০৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। সকাল ১১ টায় বিভিন্ন স্কুল কলেজ ঘুরে ঘুরে জানা গেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র শিক্ষকের উপস্থিতি জানা গেছে। সদরে ধামইরহাট সফিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহমান জানান, কিছু ছাত্র-ছাত্রীকে রাতেই ফোনে বলে দেয়া হয়েছে। এরপরও যারা বিদ্যালয়ে এসেছিল তাদেরকে ছুটির বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের ক্লাস কোচিং সবই বন্ধ থাকবে।

ধামইরহাট সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ জানান, শিক্ষার্থী দেখা গেলেও তাদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধীন পরীক্ষা ছিল নোটিশ বোর্ডে প্রজ্ঞাপন জারি করে তাদের উপস্থিতি ও পরীক্ষার স্থগিতের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আজমল হোসেন জানান রাতেই সকল শিক্ষকদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। শনিবারে বিদ্যালয়ে কোন ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত থাকবে না। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহ জানান, কিছু সংখ্যক শিক্ষার্থী শনিবার বিদ্যালয়ে এসেছে রোববার থেকে তারা আসবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এদিকে নির্বাহী অফিসার গণপতি রায় জানান, শনিবারে মনিটরিং টিম হিসেবে মোবাইল টিম মাধ্যম কোন জরিমানা করা হয়নি। তবে আগামীতে করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ