ধুলো-বালি মেখে ৬৫ বছর পার, স্নান না করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন এই বৃদ্ধ

আপডেট: জানুয়ারি ১৯, ২০২১, ১:২৫ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


বিশ্বের দীর্ঘতম বা ক্ষুদ্রতম মানুষ কিংবা প্রবীণ মানুষের কথা তো আকছাড়ই শোনা যায়৷ কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে নোংরা ব্যাক্তি? এমনটা সচরাচর শোনা যায় না৷ এবার খোঁজ মিলল তেমনই এক আজব মানুষের৷
ইরানের অশিতিপর বৃদ্ধ আমৌ হাজি বিশ্বের সবচেয়ে নোংরা ব্যক্তি বলেই অভিহিত৷ ৮৩ বছরের এই বৃদ্ধের হিসাব বলছে, গত ৬৫ বছর ধরে তিনি স্নান করেননি৷কিন্তু কেন? তাঁর কথায়, তিনি জলকে ভীষণ ভয় পান৷তাই ছয় দশকের বেশি সময় কাটিয়ে দিয়েছেন স্নান না করেই৷আমৌ মনে করেন, স্নান করেলই তিনি নাকি অসুস্থ হয়ে পড়বেন!
ইরানের মরু অঞ্চলে একাই থাকেন আমৌ৷এখনও ভালোবাসার সন্ধানে দিন কাটছে তাঁর৷ভালোবাসেন সজারুর পচা মাংস খেতে৷আমিষ খাবার তাঁর পছন্দের হলেও ঘরে করা রান্না মুখে বিশেষ রোচে না৷তাঁর নিজের বাড়ি বলতে কিছু নেই৷ গ্রামের বাইরে মাটির নীচে কোনও গর্তেই তাঁর বাস৷জানা গিয়েছে, আমৌয়ের জন্য গ্রামবাসীরা একটি কুঁড়ে ঘর তৈরি করে দিয়েছিলেন৷কিন্তু সেটা তাঁর না-পসন্দ৷ বেছে নিয়েছেন নির্জন গর্তকেই৷ অশিতিপর বৃদ্ধের দাবি, নিজেকে নোংরা রেখেই দীর্ঘজীবী হয়েছেন তিনি৷
কিন্তু অবাক করা বিষয় হয়, এক নোংরা ভাবে থাকা সত্ত্বেও তাঁর শরীরে কোনও সংক্রমণ নেই৷ প্রতিদিন একটা মরচে পড়া তেলের পাত্র করে পাঁচ লিটার জল পান করেন তিনি৷ এছাড়াও সিগারেটের প্রবল নেশা তাঁর৷ এখানেও একটি রেকর্ড গড়ে ফেলেছেন তিনি৷ যখন গ্রামবাসীদের দেওয়া সিগারেট শেষ হয়ে যায়, তখন তামাকের বদলে পশুর শুকনো বর্জ্য ব্যবহার করেন৷বর্জ্যতেই আগুন ধরিয়ে দেন সুখটান৷
পৃথিবীর সমস্ত সুখ বিসর্জন দিয়ে তিনি যে জীবন বেছে নিয়েছেন, তাতে বেজায় খুশি৷স্থানীয় মানুষের কথায়, অল্প বয়সে আমৌ আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েছিলেন এবং সে কারণেই তিনি নিজের জীবনটা একা কাটাবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন৷
তথ্যসূত্র: kolkata24x7

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ