নওগাঁয় কলেজ ছাত্র শ্যামল হত্যাকারীর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ

আপডেট: মার্চ ১৪, ২০১৭, ১২:২০ পূর্বাহ্ণ

নওগাঁ প্রতিনিধি



নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের কম্পিউটার ট্রেডের শ্যামল চন্দ্র বর্মনকে হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যাকারীদের গ্রেফতার এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। এরপর র‌্যালিটি হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদিক্ষন শেষে মুক্তির মোড় গিয়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পযর্ন্ত ঘণ্টা ব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে শ্যামল চন্দ্র বর্মনকে হত্যার প্রতিবাদে ও হত্যাকারীদের গ্রেফতার এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বক্তব্য দেন নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ৭ম সেমিস্টারের ছাত্র তারিকুল ইসলাম, ৬ষ্ঠ সেমিস্টারের আব্দুল্ল্যা, নওগাঁ সরকারি কলেজের ছাত্রলীগ নেতা শাকিল, নওগাঁ পৌর ছাত্রলীগের যুগ্মআহ্বায়ক আসাদুজ্জামান শিউল প্রমুখ।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তারা বলেন, এখন পর্যন্ত মূল আসামি নওগাঁ সদরের আরজী নওগাঁ মহল্লার এবাদুল হকের ছেলে আরমান হোসেন রোমন (১৯) ও একই এলাকার (অব.) ব্যাংকার আব্দুর রশিদের ছেলে রাশেদ (২২) সহ অন্য আসামিরা এখনও গ্রেফতার হয় নি। তারা পালাতক থেকে তাদের পরিবার দ্বারা ছাত্রদের আন্দোলন বন্ধ করার জন্য বিভিন্নভাবে মোবাইলে হুমকি প্রদান করছে।
ছাত্ররা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা না হলে নওগাঁ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট বন্ধ করে দাবী আদায় না হওয়া পযর্ন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
জেলা পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসককে তারা হুমকিদাতার নাম ঠিকানা দেয়ার পরও কোন ব্যবস্থা না নেওয়াই কলেজ চত্বর এলাকায় থমথমে আবস্থা বিরাজ করছে।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার আনুমানিক রাত ৮টার দিকে সন্ত্রাসীরা তাকে মারপিট করে গুরুত্বর জখম করে। আহত শ্যামলকে ঢাকায় চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়ার পথে গত শনিবার আনুমানিক দুপুর ১২টার দিকে সে মারা যায়। নিহত শ্যামল জেলার পতœীতলা থানার সোনাপুর গ্রামের গোপাল চন্দ্রের ছেলে।
এ বিষয়ে নিহত পিতা গোপাল চন্দ্র বর্মন নওগাঁ সদর মডেল থানায় বাদি হয়ে ৯ জন সহ আরো অজ্ঞাতনামা ৭-৮ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেছেন। পুলিশ ইতোমধ্যে ৩ জনকে গ্রেফতার করলেও কোন অজ্ঞাত কারণে পুলিশ মূল আসামিদের গ্রেফতার করছেন না বলে ছাত্ররা জানায়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ