নওগাঁয় বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চাপড়া ও কাঠখৈর বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২, ১:০৭ অপরাহ্ণ


নওগাঁ প্রতিনিধি :


সারা দেশে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক, নান্দনিক বিকাশ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধকরনের লক্ষ্যে প্রতিবছর বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্ট ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করে আসছে সরকার।

তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা পর্যায়ে বিজয়ী দলগুলোকে নিয়ে নওগাঁয় জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ প্রাথমিক বিদ্যালয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা স্টেডিয়াম মাঠে বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে জেলা পর্যায়ে চলতি মাসের গত ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে এই টুর্নামেন্ট শুরু হয়েছিলো।

বালক দলের ফাইনাল খেলায় নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার চাপড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে ধামইরহাট উপজেলার কমলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে পরাজিত করে। অপরদিকে বালিকা দলের খেলায় সদর উপজেলার কাঠখৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় টাইব্রেকারে ৩-০ গোলে পতœীতলা উপজেলার ফহিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।

খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার তুলে দেন খাদ্যমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক খালিদ মেহেদী হাসানের সভাপতিত্ব অন্যদের মধ্যে নওগাঁ পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দীক মোহাম্মদ ইউসুফ রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি বলেন, আজকের শিশুরা আগামীর বাংলাদেশের কর্ণধার। আজকে বাংলার মেয়েরা ফুটবল খেলে যে সম্মান বাংলাদেশের জন্য বয়ে এনেছে তা আমাদের জন্য গৌরবের ও বিস্ময়কর।

তারাও কিন্তু শিক্ষাজীবন থেকেই শত বাধা ও সমস্যাকে উপেক্ষা করে পড়ালেখার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধূলা চর্চা করে আজ সারা বিশ্বের কাছে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাকে নতুন করে তুলে ধরেছে। তাই আমরা যদি ছেলে আর মেয়ের বিভেদ ভুলে আজকের শিশুদের নিয়মিত খেলাধূলা চর্চায় পারদর্শী করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে

পারি তাহলে আগামীর দিনে আজকের শিশুরাই আরো বড় অর্জনকে বয়ে আনতে সক্ষম হবে। মাদক ও মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্ত থাকার জন্য তাদেরকে লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা ও সংস্কৃতি চর্চায় আগ্রহী করতে হবে। আর এর জন্য শুধু সরকার নয় অভিভাবক থেকে শুরু করে সমাজের সকল স্তুরের সচেতন নাগরিকদের এগিয়ে আসতে হবে। সেই সঙ্গে স্কুল পর্যায় থেকে খেলাধুলার চর্চা অব্যাহত রাখতে হবে।