নওগাঁয় বেলাশেষে সমাজ কল্যাণ সংস্থার সংবাদ সম্মেলন আশ্রয়হীন মা ও শিশুদের নিরাপদ আবাস গড়ে তোলার প্রত্যাশা

আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০২২, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

নওগাঁ প্রতিনিধি:


নওগাঁর কোন অসহায় মা অথবা শিশু আর রাস্তায় পড়ে থাকবে না, ভিক্ষুক থাকবে না, আশ্রিতদের জন্য নিরাপদ আবাস নিশ্চিত এবং নির্যাতিতা বা স্বামী পরিত্যক্তা মহিলাদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে নওগাঁর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বেলাশেষে সমাজ কল্যান সংস্থা। শনিবার (৩ ডিসেম্বর) দুপুরে নওগাঁ প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন সংস্থাটির সভাপতি বিশিষ্ট সমাজকর্মী তসলিমা ফেরদৌস।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন. দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে এই সংস্থাটি নানাভাবে অসহায় আশ্রয়হীন মেয়েদের নিরাপদ আশ্রয় ও খাবার দিয়ে যাচ্ছে। আগামীতে সকলের সহযোগিতা নিয়ে বেলাশেষে প্রতিষ্ঠানের বহুতল ভবন নির্মান করে প্রবীন, শিশু, প্রতিবন্ধী, নির্যাতিত মা এবং মানষিক ভারসাম্যহীন মায়েদের প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা আবাস গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন তিনি।

তিনি জানান এ পর্যন্ত তাঁর এই প্রতিষ্ঠানে অগণিত অসহায় মা ও শিশুদের লালন পালন করা হয়েছে। বর্তমানে ঐ প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ১৪ জন মা যাদের স্থায়ীভাবে বেলাশেষে’তে থাকা এবং খাওয়ার নিশ্চয়তা নিশ্চিত হয়েছে।

তসলিমা ফেরদৌস অভিযোগ করে বলেছেন এতভালো কাজ করার পরও কিছু মানুষ এই প্রতিষ্ঠানকে নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তিনি অভিযোগ প্রত্যাখান করে বলেন সাধারন মানুষ এবং সদস্যদের দেয়া চাঁদা থেকে যে অর্থ পাওয়া যায় তা দিয়ে তা দিয়ে কখনও এই প্রতিষ্ঠানের ব্যয় নির্বাহ সম্ভব হয়না। তিনি আড্ডায় কফি নামের যে রেষ্টুরেন্টটি চালান সেই প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ পুরোটাই এসব অসহায় মায়েদের থাকা ও খাবার কাজে ব্যয় করে থাকেন। প্রতিটি আয় ব্যয়ের হিসাব নিকাশ স্বচ্ছতার সাথে সংরক্ষিত হয়ে থাকে। এ জন্য একটি কার্যকরী পরিষদ এবং একটি শক্তিশালী উপদেষ্টা পরিষদ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ যাবৎ ঐ প্রতিষ্ঠানের আয় এবং ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপন করেন। প্রদত্ত হিসাবে আয়ের থেকে ব্যয় অনেক বেশী হয়ে থাকে। তিনি ঐ মহলকে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার না চালিয়ে একটি ভালো উদ্যোগকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার সুযোগ দেয়া আহবান জানান।

এ সময় সংগঠনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য কাজী জিয়াউর রহমান বাবলু, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ জহুরুল ইসলাম এবং সাধারন সদস্য সেন্টু আনসারী উপস্থিত ছিলেন।