নগরীতে ওয়াকাফের জায়গায় প্রথমে ড্রেন এবার রাস্তা

আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০১৭, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


নগরীর হেতম খাঁ সিটি কলেজের পেছনের এলাকায় ওয়াকাফ স্টেটের জায়গায় প্রথমে ড্রেন এবার রাস্তার জায়গা নেয়ার বিষয়ে আপত্তি তুলেছেন এস্টেটের মোতোওয়াল্লীরা। অন্য পাশের জায়গা না নিয়ে শুধু তাদের জায়গাতে প্রথমে ড্রেন এবং পরে রাস্তা তৈরির উদ্যোগে তারা আপত্তি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে এ মাসের ৩ তারিখে এই বিষয়ে একটি আবেদন জমা দেয়া হয়। মুন্সি সেখ আহাম্মদ হোসেন স্টেটের জায়গায় ১৯৯৭ সালে সিটি কর্পোরেশন ছয় ফুট চওড়া ড্রেন তৈরি করে।
এসময় এস্টেটের পক্ষ থেকে আপত্তি জানানো হয়। তাতে কোনো কাজ হয় নি। এই ড্রেনটির সংযোগ স্থলে কোথাও কোথাও দেড় থেকে দুই ফুট চওড়া ড্রেন রয়েছে। শুধু এস্টেটের জায়গায় ড্রেনের প্রস্থ নিয়ে প্রশ্ন তুলা হয়েছে জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদনে। বর্তমানে ওই ড্রেন পরিস্কারের জন্য ওয়াকাফের জায়গায় রাস্তার সংযোগ স্থলে ২৫ ফুট এবং মাঝে ১৮ ফুট রাস্তা নির্মানের উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। ড্রেনের পশ্চিম পাশে কিছু বাড়ি নির্মিত হয়েছে। যে বাড়ির মালিকেরা দাবি করে তারা রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমুতি নিয়ে বাড়ি তৈরি করেছেন। ড্রেনের জায়গা ছাড়া এই বাড়ি কিভাবে নির্মান করা হয় সে বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। ওই বাড়ি গুলোর অনুমোদন সংক্রান্ত জটিলতা নিরশনে রাস্তা নির্মানের এই উদ্যোগ বলে জানানো হয়।
এ বিষয়ে মোতোওয়াল্লী মনজুর হোসেন বলেন, তাদের এস্টেটের আয় থেকে অনেক জনহিতকর কাজ করা হয়। এই সম্পত্তিতে একটি মসজিদ রয়েছে। যেটি সম্প্রতি পূন:নির্মিত হয়েছে। পাশের পুকুরটির পানি সম্প্রতি নস্ট হয়ে গেছে। তা পুনরায় পরিস্কার করে জনগনের ব্যবহার উপযোগি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ১৯২০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই এস্টেটের জায়গাতে তাদের পূর্ব পুরুষের কবর রয়েছে। রাস্তা নির্মান হলে এর পবিত্রতা রক্ষার চেষ্টার ব্যত্যয় ঘটতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
এ বিষয়ে ২১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবু বকর সিদ্দিক কেনু বলেন, সরকার অধিগ্রহণ করলে কিছু করার নাই। এটি তার শ্বশুর বাড়ির জায়গা। তিনিও নিজেও বিশ্মিত যেখানে আশেপাশের রাস্তার প্রস্থ ১২ ফুট সেখানে গলির রাস্তা ২৩ ফুট করার উদ্যোগ আসলেই রহস্যজনক। আরডিএর নিয়ম না মেনে যারা এর আগে বাড়ি করেছে তাদের এই পরিকল্পনায় হাত থাকলেও থাকতে পারে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ