নগরীতে ছাগলের হাট

আপডেট: আগস্ট ৩০, ২০১৭, ১:১৩ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেক


নগরীর বড় মসজিদ এলকায় কোরবানি ঈদ উপলক্ষে বসেছে ছাগলের হাট-সোনার দেশ

ঈদের আমেজে ব্যস্ত সবাই। কোরবানির পশু কিনতে হাটে কিংবা গ্রাম-গ্রঞ্জে বাড়িতে বাড়িতে গরু-ছাগল দেখতে যাচ্ছে অনেকে। এরমধ্যে বেশ কয়েক বছর থেকে নগরীর সাহেববাজার এলাকায় ছোট পরিসরে ছাগলের বিক্রি জমে উঠেছে। বিকেলের পর থেকে বাড়তে শুরু করে ছাগলের আমদানি। ক্রেতারও সমাগম থাকে চোখে পড়ার মতো। সন্ধ্যার পর থেকে বাড়তে থাকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সরগরম। হাটের বাইরেও শহরে প্রাণ কেন্দ্রে ছাগলের হাট বসাই অনেকেই খুশি। যেতে হচ্ছে না হাটে। হাতের নাগালের মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে মনের মতো পছন্দনীয় ছাগল।
নগরীর সাহেববাজার বড় মসজিদের সামনে রাস্তার উপর ঈদের আগে পর্যন্ত কদিন থেকে বসেছে কোরবানির ছাগলের হাট। নগরীর মানুষের সুবিধার জন্য বেশ কয়েক বছর থেকে এই মাঠে ছাগলের হাট বসে। প্রতিদিন বিকেলের পর থেকে থেকে রাত ১০ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত চলে এই হাট। তবে এখানে ছাগলের আকার অনুযায়ী বিক্রেতা দাম চাচ্ছেন। বেশিরভাগ ছাগল আশেপাশের বিভিন্ন এলাকার বাসাবাড়িতে পোষা বলে জানান অনেক বিক্রেতা।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ছাগল ক্রয় করতে আসা কয়েকজন ক্রেতা শামস-উর-রহমান, শরিফুল ইসলাম ও এহেসান কবির ও শাহিনুল আলম বলেন, বিক্রেতারা ছাগলের দাম সামান্য বেশি চাইলেও দেখে শুনে কিনতে হবে। তবে ছাগল কিনতে হাটে যেতে হচ্ছে না, হাতের নাগালে পাওয়া যাচ্ছে। হাট থেকে আসার গাড়ি ভাড়া ও অন্যান্য ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। যতগুলো ছাগল দেখেছি তার বেশিরভাগ ১০ থেকে শুরু করে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা দাম চেয়েছে। এখন পর্যন্ত ছাগল কিনতে পারি নি। তবে দেখে শুনে একটা ছাগল কিনে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন বলে তারা জানান।
এদিকে খাশি বিক্রি করতে আসা নগরী ডিঙ্গাডোবা এলাকার ফরিদ আলী বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার খাশি দাম কম। খাশি বিক্রি করতে সময় লাগছে। কারণ ক্রেতার পছন্দ না হলে তো বিক্রি হবে না।