নগরীতে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপিত ‘বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সমাজের সকলকে এগিয়ে আসার আহবান’

আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০২২, ১২:৪০ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


নগরীতে নানা কর্মসূচির মধ্যদিয়ে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) সকালে রাজশাহী মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সভা কক্ষে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উপপরিচালক শবনম শিরিন এঁর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাবিহা সুলতানা।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ছিল- ‘সময়ের অঙ্গীকার, কন্যাশিশুর অধিকার’।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজগর আলী খানসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাবিহা সুলতানা বলেন, আমাদের দেশের ৪০ শতাংশ শিশু, এর অর্ধেক হলো নারী শিশু। একটা শিশু যখন মায়ের গর্ভে থাকে তখন তাদের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকে না। কিন্তু শিশুটি জন্মের পর সমাজ ও পরিবার থেকে বৈষম্য শুরু হয়। তার মধ্যে কন্যা শিশুদের বরাবরই এ বৈষম্যের শিকার হতে হয়। কন্যাশিশুরা এমনভাবে বেড়ে উঠে যে, তারা প্রতিবাদ করতে শিখে না। এ কারণে তারা প্রতিটি ক্ষেত্রে নির্যাতিত হয়ে থাকে।

কন্যাশিশুকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোভিডের সময় স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকার কারণে বাল্য বিবাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। একটি ভুল কারও সারা জীবনের কান্না। এক্ষেত্রে অবশ্যই বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ করতে হবে। বাল্যবিবাহের কারণে নারীরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হচ্ছে। এ সময় তাঁরা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বাড়াতে সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। এছাড়াও প্রয়োজনে ৯৯৯-এ ফোন করার পরামর্শ দেন।

সকল ক্ষেত্রে মেয়েরা ভালো করছে উল্লেখ পূর্বক তিনি আরও জানান, মেয়েদের যদি সঠিকভাবে যত্ম নেয়া হয় তবে তারা দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রশাসন, রাজনীতি এবং খেলাধুলাতেও নারীদের অবদান লক্ষনীয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ