নগরীতে টিসিবির পণ্য নিতে করোনা টেস্ট

আপডেট: জুন ৮, ২০২১, ৯:২৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


নগরীতে তিন দিন ধরে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা চলছে। রাজশাহী জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নগরীর পাঁচটি স্থানে এ পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে করোনা পরীক্ষায় মানুষের সাড়া কিছুটা কম। এ কারণে ক্রেতাদের করোনা টেস্টে আগ্রহী করে তুলতে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ট্রেডিং করপোরেশনের (টিসিবি)’র পণ্য বিক্রির ট্রাকের পাশে করোনা পরীক্ষার বুথ বসানো হয়। সেখানে ক্রেতাদের করোনা পরীক্ষা করে টিসিবি পণ্য নিতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছিলো।
এদিন অনেকেই করোনার অ্যান্টিজেন পরীক্ষার পরে টিসিবির পণ্য কিনেছেন। এদিন নগরীর ৬ টি পয়েন্টে টিসিবির পণ্য বিক্রয় করা হয়। মঙ্গলবার (৮ জুন) দুপুরে রাজশাহী নগরীর শহিদ এএইচএম কামারুজ্জামান চত্বরে টিসিবির পণ্য নিতে কিনতে এসেছিলেন মো. নাদিম হোসেন। তিনি জানান, তিনি টিসিবির পণ্য কিনতে এসেছেন। পণ্যের গাড়ির পাশে থাকা পুলিশ সদস্যরা করোনার পরীক্ষা করিয়ে পণ্য কিনতে বলছিলেন। সেখানে অনেকেই পরীক্ষা করিয়েছেন। তারপর পণ্য কিনেছেন। আবার পরীক্ষা না করেও পণ্য কিনেছেন। তবে পরীক্ষায় পজেটিভ আসলে তাকে পণ্য দেয়া হচ্ছিলো না। আর তিনি পরীক্ষা না করিয়েই পণ্য কিনেছেন।
একই এলাকায় পণ্য কিনতে আসেন খোদেজা বেগম। তিনি করোনা পরীক্ষার জন্য বুথের লাইনে দাঁড়ালেও মুঠোফোন নম্বর ছিল না বলে প্রথম দফায় তার পরীক্ষা হয়নি। পরে নগরীর উপশহর এলাকা থেকে তিনি হাতের তালুতে লিখে আনেন ছেলের ফোন নম্বর। করোনা পরীক্ষার পর তিনিও টিসিবির পণ্য নিয়ে বাড়ি ফেরেন। এ সময় তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যরা ফ্রিতে করোনা পরীক্ষা করতে বলছিলেন। তাই করে ফেললাম। এত সহজে করোনা পরীক্ষা করা যায় তা আগে ভাবি নি।
টিসিবির রাজশাহী বিভাগীয় কর্মকর্তা মো. রবিউল মোর্শেদ বলেন, করোনার পরীক্ষা বাড়ানোর জন্য বুথের কাছে টিসিবির পণ্য বিক্রির পরামর্শ দিয়েছিলেন জেলা প্রশাসক। একারণে বুথের পাশে টিসিবির পণ্য বিক্রয় করা হয়। এদিন অধিকাংশ ক্রেতাই করোনা পরীক্ষা করে পণ্য কিনছেন।
রাজশাহী জেলা সিভিল সার্জন মো. কাইয়ুম তালুকদার বলেন, তারা নগরীতে দুই দিন ধরে প্রশাসনের উদ্যোগে র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষা করিয়েছেন। মঙ্গলবার (৮ জুন) থেকে এটা রাজশাহী সিটি করপোরেশন করছে।
রাজশাহী অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শরিফুল হক জানান, করোনা টেস্টে মানুষকে আরও বেশি আগ্রহী করে তুলতে টিসিবির পণ্য করোনা টেস্টের বুথের পাশে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিলো। এসময় করোনা টেস্ট করিয়ে তারপর পণ্য কিনতে মানুষকে আগ্রহী করা হচ্ছিলো। এসময় করোনা টেস্টে মানুষের ভালো সাড়া পাওয়া গেছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ