নগরীতে ঢিলেঢালা লকডাউন

আপডেট: জুলাই ৩১, ২০২১, ১০:৪৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


লকডাউনে প্রশাসনের অব্যাহত তৎপরতার মধ্যেও নগরীতে মানুষের চলাচল বেড়েছে। বিশেষ করে সড়কে ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল বেড়েছে। নগরীর মোড়গুলোতে বিভিন্ন কৌশলে খোলা থাকছে দোকান। নগরীর ভেতরে অলিগলিতে জমছে আড্ডা। রাস্তায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও প্রশাসনের উপস্থিতি থাকলেও অনেকটাই ঢিলেঢালাভাবে লকডাউন পালিত হচ্ছে।
বেলা গড়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরীতে মানুষ চলাচল বাড়ছে। বিকেলের পর নগরীর মোড়গুলোতে বিভিন্ন বয়সের মানুষের আড্ডা জমছে। অর্ধ সার্টারে খোলা থাকছে চায়ের দোকান। আর চা আড্ডায় অনেক সময় বাঁধছে দেখা যাচ্ছে জটলা। যদিও কঠোর লকডাউনের মধ্যে কেবলমাত্র জরুরি পরিষেবা ছাড়া সকল দোকানপাট বন্ধ ও সব ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
রাজশাহীতে লকডাউন বাস্তবায়নের জন্য পুলিশ, আনসার, র‌্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর টহল ও উপস্থিতিও থাকছে। মোড়গুলোতে মাঝে মাঝে তৎপরতাও দেখা যাচ্ছে। তবে অটো রিকশা চলাচল ও মার্কেট খোলায় নিয়ন্ত্রণছাড়া অন্য বিষয়গুলো অনেকটা ঢিলেঢালাভাবে পার হতে দেখা যাচ্ছে।
শনিবার (৩১ জুলাই) নগরীর কোর্ট বাজার, লক্ষ্মীপুর, নিউমার্কেট, সাহেববাজারসহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গত দিনগুলোর চেয়ে যানচলাচল বেড়েছে। মানুষের আনাগোনাও বেড়েছে। মাঝে মাঝে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাও দেখা গেছে। এর মধ্যেও প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলসহ ব্যক্তিগত যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। প্রধান সড়ক ছাড়া অলিগলিতে অটোরিকশা চলাচল অনেকটা স্বাভাবিক সময়ের মতোই।
কাঁচাবাজারে স্বাস্থ্যবিধি তেমন গুরুত্ব পাচ্ছেন না। সাহেববাজার, মাস্টারপাড়া ও কোর্টের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ বিক্রেতার মুখে মাস্ক নেই। রোদ গরমের মধ্যে তারা নাকের নিচে অথবা পাশে রেখে ক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম করছে। ক্রেতাদের অনেকেও মাস্ক খুলে কেনাকাটা সারছেন। মুদি দোকানগুলোতেও একই অবস্থা। তবে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর উপস্থিতি থাকলে সে সময়ের জন্য মাস্ক পরছেন। আর শারীরিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই।