নগরীতে সরকারি দপ্তরে ইনোভেশন শোকেসিং ‘একটি আঙ্গুলের ইশারায় ৭ কোটি বাঙালি সাহসী জাতিতে পরিণত হয়েছিল’

আপডেট: জুন ২৩, ২০২২, ১:১৯ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


নগরীতে ‘সরকারি দপ্তরে উদ্ভাবনী সেবা প্রদান ও জনবান্ধব প্রশাসন’ বিষয়ে আলোচনা সভায় বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ্ (এনডিসি) বলেছেন, ইনোভেশন মানে নতুন কিছু নিয়ে আসা, যাতে জনগণকে সহজে সেবা দেয়া যায়। সর্বপ্র্রথম ইনোভেশন নিয়ে এসেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ইনোভেশন। একটি আঙ্গুলের ইশারায় ৭ কোটি বাঙালি সাহসী জাতিতে পরিণত হয়েছিল। তার বক্তব্য যদি সাধারণ হতো তাহলে মন্ত্রমুগ্ধের মতো কেউ শুনত না।

বুধবার (২২ জুন) সকালে রাজশাহী কলেজ মিলনায়তনে ইনোভেশন শোকেসিং ২০২২ এর উদ্বোধন করে প্রধান অতিথির বক্তব্য বিভাগীয় কমিশনার জি এস এম জাফরউল্লাহ্ (এনডিসি) এসব কথা বলেন।

জাফরউল্লাহ্ বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ভাইয়েরা আমার, পঁচিশ তারিখে এসেম্বলি কল করা হয়েছে, রক্তের দাগ শুকায় নাই। পঁচিশ তারিখের এসেম্বলি নিয়ে কথার বলার পর পরের বক্তব্য এসেম্বলি নিয়েই হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু উনি বললেন রক্তের দাগ শুকায় নাই। পরবর্তীতে তিনি এর ব্যাখ্যা দিলেন, বক্তৃতার মধ্যে আনলেন ইনোভেশন; তিনি বললেন, আমার মানুষের রক্তের উপর দিয়ে আমি শেখ মুজিবুর রহমান এসেম্বলিতে বসতে পারি না। তার এ বক্তৃতা পৃথিবীর দু-তিনটি বক্তৃতার একটি।

ইনোভেশন হিসেবে ক্রিকেটের বিভিন্ন ফরম্যাটের বিষয় উল্লেখ বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ক্রিকেটে এক সময় ওয়ান ডে বা টি-টোয়েন্টি ছিল না। শুধু ছিল পাঁচ দিনের টেস্ট ম্যাচ। সেখান থেকে এখন পঞ্চাশ ওভারের ওয়ান ডে, বিশ ওভারের টি- টোয়েন্টি চালু করা হয়েছে। এমনকি দশ ওভারের টি-টেন খেলা চালু করার কথা চলছে।

ইনোভেটিভ আইডিয়া একটি খেলাকে কতটা জনপ্রিয় করে দিয়েছে। টিসিবি’র মাধ্যমে খাদ্যদ্রব্য দেয়া ও একদিনে ১ কোটি মানুষকে করোনা ভ্যাকসিন দেয়াও এক ধরনের ইনোভেশন। ইনোভেশনকে কাজে লাগিয়েই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুল কাশেম মো. মহিউদ্দিন সেমিনারে মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, রাজশাহী কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল মালেক। রাজশাহী কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সুশান্ত রায় চৌধুরী মূল প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার এএনএম মঈনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরএমপি কমিশনার মো. আবু কালাম সিদ্দিক, অতিরিক্ত ডিআইজি জয়দেব কুমার ভদ্র, জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুল খালেক বক্তব্য রাখেন।
রাজশাহী বিভাগের আটটি জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ২৫টি স্টল নিজ নিজ দপ্তরের উদ্ভাবনী উদ্যোগ তুলে ধরেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ