নগরীতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে আরও মানববন্ধন ও সমাবেশ

আপডেট: অক্টোবর ২১, ২০২১, ১১:০০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


নগরীতে বিভিন্ন ব্যানারে পৃথকভাবে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে আরও মানববন্ধন ও সমাবেশ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) দেশে যেকোন ধরনের সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, উস্কানিমূলক কর্মকান্ডসহ সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার প্রশ্নে প্রশাসনকে আরও কঠোর অবস্থানে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন রাজশাহীর বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।


৮০’র দশকের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ :
জামায়াত-শিবিরের সাম্প্রদায়িক তান্ডবের প্রতিবাদে রাজশাহীতে মানববন্ধন করেছে ৮০’র দশকের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় নগরীর গণকপাড়া মোড়ে এই কর্মসূচি পালিত হয়। ‘জামায়াত-শিবিরের সাম্প্রদায়িক তান্ডব রুখে দাঁড়াও বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ৮০’র দশকের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ছাত্রনেতা ও রাজশাহী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি শরিফুল ইসলাম বাবু। উক্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ৮০’র দশকের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ছাত্রনেতা ও রাকসু’র সাবেক ভিপি রাগীব আহসান মুন্না, রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহা. আসাদুজ্জামান আসাদ, সাবেক ছাত্রনেতা হাবিবুর রহমান বাবু, কামরান হাফিজ ইয়ামিন, রাজশাহী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস আব্দুল আল মাসুদ শিবলী, ছাত্রনেতা শাহরিয়ার রহমান সন্দেশ, ফজলে রাব্বী বাদশা, নাসির উদ্দিন রুবেল, সাগরসহ আরো অনেকে। সভাটি সঞ্চালনা করেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ শফিকুজ্জামান শফিক। প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন-মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গঠিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধুর দেশ বাংলাদেশ। স্বাধীনতার জন্য এই দেশে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ আত্মত্যাগ করেছেন। এই দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে দাঙ্গা বাঁধানোর অপচেষ্টাকারীদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। সরকারকে এই বিষয়ে আরো কঠোর হওয়ার জন্য দাবি জানানো হয় সমাবেশ থেকে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সমর্থনে বিএমএ ও স্বাচিপ’র মানববন্ধন :
সারাদেশে হিন্দুদের বাড়ি, মন্দির ও মন্ডপে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও প্রতিমা ভাঙচুরের প্রতিবাদ,দায়িদের বিচার ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখার পক্ষে মানববন্ধন করেছে।

রাজশাহী বিএমএ ও স্বাচিপ নেতৃবৃন্দ বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) সকালে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে রাজশাহীর কর্মরত মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, দ্রুত সাম্প্রদায়িক সহিংসতার নেপথ্যের কুশীলবদের চিহ্নিত করে ও দায়ীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনতে হবে। ‘আমাদের দেশে ধর্মীয় উগ্রবাদীদের কোনো ঠাঁই নাই। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। সবসময় এসব উগ্রবাদীদের প্রতিহত করতে হবে। আমরা বাঙালিদের ঐতিহ্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখতে হবে। আমরা মিলেমিশে সমাজে বসবাস করবো যে যার ধর্ম পালন করব।
মানব বন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রিয় স্বাচিপের সহ-সভাপতি ডা. তবিবুর রহমান শেখ, রাজশাহী বিএমএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. আতাউর রহমান বাবু, সাধারণ সম্পাদক ও রামেক অধ্যক্ষ ডা. মো. নওশাদ আলী, স্বাচিপ সভাপতি ডা. চিন্ময় কান্তি দাস, সাধারণ সম্পাদক ডা. নাসিম আক্তার, রামেক ছাত্রলীগ সভাপতি ডা. মনন কান্তি দাস, সাধারণ সম্পাদক ডা.এমরান হোসেন সহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা।

রাবি শিক্ষক সমিতি :

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের চেতনা বিনাশকারী সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টার দিকে সিনেট ভবন চত্বরে রাবি শিক্ষক সমিতির আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনে শতাধিক শিক্ষক অংশ নেয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক নেতারা বলেন, যে অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক চেতনা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল সেই দেশ এখন মৌলবাদী শক্তির উত্থানের কারণে সহিংসতা হচ্ছে। ধর্মকে পুঁজি করে সংগঠিত সকল সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসের সাথে জড়িত চিহ্নিত করে দ্রুত বিচার করতে হবে। এ সময় মানববন্ধনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিন বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর জিরো পয়েন্টে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যনারে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সেলিম রেজা নিউটন, শিল্পী মাঈশা মরিয়াম, মীরা সুষ্মিতা প্রমুখ। এই মানববন্ধনে ‘পৃথিবীটা মানুষের হোক ধর্ম থাকুক অন্তরে’,‘ মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িকতার ঠাঁই নেই’, ‘ধর্মান্ধতা নিপাত যাক’, ‘ধর্ম নিয়ে অশান্তি চাই না’-এই স্লোগান নিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

আরসিআরইউ :
কুমিল্লায় কোরআন অবমাননার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি (আরসিআরইউ) এর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় রাজশাহী কলেজের বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহা. আব্দুল খালেক এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, আরইউজের সভাপতি ও দৈনিক কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান রফিকুল ইসলাম, আরইউজের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের স্টাফ রিপোর্টার তানজিমুল হক, রাজশাহী টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (আরটিজেএ) এর সভাপতি মোহনা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার মেহেদী হাসান শ্যামল, দৈনিক সোনালী সংবাদের স্টাফ রিপোর্টার বীর মুক্তিযোদ্ধা তৈয়বুর রহমান, আরইউজের সদস্য সিনিয়র ফটো সাংবাদিক সেলিম জাহাঙ্গীর, রাজশাহী মহানগর হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রাহক ওলিউর রহমান বাবু ও আরসিআরইউ এর সাবেক সভাপতি বাবর মাহমুদ।

মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নাইমুল হাসান নাইম।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বাঙ্গালি জাতির অসাম্প্রদায়িকতার ইতিহাস সারা বিশ্বে রোল মডেল। এখানে হিন্দু বৌদ্ধ খিস্ট্রানসহ সকল ধর্ম বর্ণের মানুষ সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু কুচক্রী মহল এই সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালায়। যেটা এদেশের প্রগতিশীল সমাজ, সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ মানুষ মেনে নেয় নি, আগামীতেও কখনো মেনে নেবে না।

বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের যে ঐতিহ্য সেটা নষ্ট করে এই কুচক্রীরা দেশটাকে আফগানিস্তান কিংবা পাকিস্তান বানাতে চায়। বাংলাদেশ যে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নিয়েছে সেটাকে নষ্ট করতে সাম্প্রদায়িক উষ্কানির মাধ্যমে বিভেদ সৃষ্টি করতে চায় তারা। তারা প্রতিনিয়ত ধর্মকে ব্যবহার করে একের পর এক সাম্প্রদায়িক হামলার মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টি করে সম্প্রীতি নষ্টের যে পায়তারা চালাচ্ছে তা কখনোই বাস্তবায়ন হবে না। রাজশাহীর সাংবাদিক সমাজ সবসময়ই শান্তি ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রাখতে কাজ করেছে। এ সময় সাম্প্রতিক সময়ে দেশের সকল সাম্প্রদায়িক সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।

আরসিআরইউ এর সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান সোহাগ ও অর্থ সম্পাদক মাহাবুল ইসলামের যৌথ সঞ্চালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, আরসিআরইউ এর উপদেষ্টা প্রফেসর আজমত আলী রকি, আরইউজের কার্য নির্বাহী সদস্য সিনিয়র ফটো সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম তোতা, ইউনিটির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হাকিম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সেহের আলী দুর্জয়, নির্বাহী সদস্য আবু সাঈদ রনি, সদস্য বদরুদ্দোজা, সহযোগী সদস্য আফসানা মিমিসহ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস ক্লাবের প্রতিনিধি, ইউনিটির সহযোগী সদস্য ও শিক্ষার্থীরা।

শহিদ জামিল ব্রিগেড :
বৃহস্পতিবার সকালে রাজশাহী নগরীর সাহেব বাজার জিয়োপয়েন্টে দেশেজুড়ে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে করোনাকালে স্বেচ্ছায় সেবাদানকারী সংগঠন শহিদ জামিল ব্রিগেডের সদস্যরা এই মানববন্ধনের আয়োজন করে। এতে সংহতি জানিয়ে অন্যান্য সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার দায়িত্ব সব নাগরিকের। কিন্তু প্রধান দায়িত্ব প্রশাসনের। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা পর্যালোচনার পর প্রশাসনের অবস্থান আমাদের কিছুটা হলেও হতাশ করেছে। সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মোকাবিলাসহ দেশে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় তাদের আরও কঠোর অবস্থানে থাকা প্রয়োজন। দেশের প্রশাসন অত্যন্ত দক্ষ। সাম্প্রদায়িক সহিংসতা রুখে দেওয়ার ক্ষমতা তাদের আছে। আমরা আশা করি, সাম্প্রদায়িকতার প্রশ্নে তারা আরও সজাগ, কঠোর ও দায়িত্বশীল হবেন।

মানববন্ধন থেকে বাহাত্তরের সংবিধানে ফিরে যাওয়ার দাবি করে বক্তারা আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনা প্রতিষ্ঠায় ৭২-এর সংবিধান ফিরিয়ে আনার বিকল্প নেই। ৭২-এর সংবিধানের চার মূলনীতি- গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, বাঙালি জাতীয়বাদ ও সমাজতন্ত্র পূনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। দেশে হারিয়ে যাওয়া সব ধরনের সংস্কৃতি চর্চকে ফিরিয়ে আনতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেনতায় তরুণ প্রজন্মকে গড়ে তুলতে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিতে হবে। মৌলবাদ-জঙ্গিবাদসহ সব ধরনের সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মোকাবিলা করতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল শক্তির আদর্শগত ঐক্য এখন সময়ের দাবি। ঘণ্টাব্যাপী চলা এই মানববন্ধন থেকে বক্তারা হিন্দুদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের মতো সাম্প্রদায়িক কর্মকান্ডর ধিক্কার ও নিন্দা জানিয়ে সামগ্রিক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন, শহিদ জামিল ব্রিগেডের প্রধান সমন্বয়ক দেবাশিষ প্রামানিক দেবু, ওয়ার্কার্স পার্টির রাজশাহী জেলার সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আশরাফুল হক তোতা, সেক্টর কমান্ডার ফোরামের রাজশাহী মহানগর সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান উজ্জ্বল, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রাজশাহী মহানগরের সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার ঘোষ, সাংবদিক রাশেদ রিপন, জামিল ব্রিগেডের মনিটরিং সেলের সদস্য আব্দুল মতিন, নাজমুল করিম অপু, সীতানাথ বণিক, জাতীয় কৃষক সমিতির নেতা মতিউর রহমান তপন, যুবমৈত্রীর রাজশাহী মহানগরের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির, মহিলা পরিষদের রাজশাহী জেলার সাধারণ সম্পাদক অঞ্জনা রায়, জামিল ব্রিগেডের মনিটরিং সেলের সদস্য শামীম ইমতিয়াজ, একাত্তরে রাজশাহীতে প্রথম শহিদ সুরেশ পান্ডের ছেলে শোভন পান্ডে, সাবেক ছাত্রনেতা তামিম সিরাজী, দীগন্ত প্রসারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী অশোক সাহা প্রমুখ।