নতুন ভবন পেল আরএমপির সাইবার ইউনিট জনসন্তুষ্টি অর্জন করেছে সাইবার ক্রাইম ইউনিট : পুলিশ কমিশনার

আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২২, ১০:৪১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) সাইবার ক্রাইম ইউনিট জনসন্তুষ্টি অর্জন করেছে বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক। রোববার (১৬ জানুয়ারি) সকালে সাইবার ক্রাইম ইউনিটের নতুন ভবনের উদ্বোধনের পর তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

রাজশাহী মহানগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে আরএমপির নির্মাণাধীন নতুন সদর দপ্তরে এর উদ্বোধন করা হয়। পুলিশ কমিশনার প্রধান অতিথি হিসেবে নতুন ভবনটির উদ্বোধন করেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রযুক্তি নির্ভর অপরাধ কমাতে এবং প্রযুক্তির মাধ্যমে অধরাধীকে গ্রেফতার করতেই সাইবার ক্রাইম ইউনিট চালু করা হয়েছে। এর সুফল মিলছে।

তিনি বলেন, গত এক বছরে সাইবার ক্রাইম ইউনিট ১ হাজার ৪০৫টি অভিযোগের মধ্যে ১ হাজার ৩৩৫টি অভিযোগ নিস্পত্তি করেছে। সেই সাথে নারীদের স্পর্শকাতর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ব্লাকমেল করা, ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা, ভূয়া ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে পর্ণো ছবি ও ভিডিও পাঠানোর মত প্রায় ৩৬০টিরও বেশি অভিযোগ নিস্পত্তি করেছে। এর ফলে নগরবাসীর জনসন্তুষ্টি অর্জন করেছে সাইবার ক্রাইম ইউনিট।

সাইবার ক্রাইম ইউনিটের নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) মজিদ আলী বিপিএম, উপপুলিশ কমিশনার (সদর) রশীদুল হাসান পিপিএম ও উপ-পুলিশ কমিশনার (বোয়ালিয়া) সাজিদ হোসেন, আরএমপি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

উল্লেখ্য, আবু কালাম সিদ্দিক রাজশাহী মহানগরীতে পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগদানের পরপরই বলেছিলেন রাজশাহী মহানগরীকে নিরপাত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। মহানগরীতে কোন অপরাধ থাকবে না। সেই লক্ষে বিভিন্ন ধরণের কর্মসূচি গ্রহণ করেন। এর অংশ হিসেবে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ শাহমখদুম থানা কম্পাউন্ড আরএমপি অস্থায়ী সদরদপ্তরে সাইবার ক্রাইম ইউনিটের উদ্বোধন করেন।

যাত্রার শুরু থেকেই সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহকারি পুলিশ কমিশনার উৎপল কুমার এর নেতেৃত্বে সাইবার ক্রাইম ইউনিট সাফল্য দেখিয়ে আসছে। বিশেষ করে মোবাইল কললিষ্ট, ফেসবুক, ইমো, ম্যাজেঞ্জার ইত্যাদি পর্যালোচনা করে আরএমপি’র থানাসমূহের বিভিন্ন অপহরণ মামলার ভিকটিম উদ্ধার, প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ, মাদক ব্যবসায়ীর অবস্থান সনাক্ত করা, ভূয়া পুলিশ পরিচয়ে টাকা আত্মসাৎ, ছিনতাইকারী গ্রেফতার, জঙ্গি গ্রেফতার, ডিজিটাল প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ, হারানো মোবাইল উদ্ধার, অপহরণ, খুন, চাঁদাবাজসহ বিভিন্ন মামলার রহস্য উদঘাটনে সাফল্যের সাথে কাজ করে যাচ্ছে সাইবার ক্রাইম ইউনিট।