নাটোরে আ’লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিক ও সাধারণ সম্পাদক রহিদুল ইসলাম

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১, ১:০১ অপরাহ্ণ

নাটোর প্রতিনিধি


বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নাটোরের লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ওয়ালিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলন সন্ধ্যা পর স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দরা সবার সম্মতিক্রমে নূরে আলম সিদ্দিক কে সভাপতি ও রহিদুল ইসলাম কে সাধারণ সম্পাদক করে ৬৯ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় ওয়ালিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজিয়ার রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন নাটোর-১ লালপুর- বাগাতিপাড়া আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, লালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এস্কেন্দার মির্জা, যুগ্ম সম্পাদক মাহামুদুল হক মুকুল, গোলাম কাউসার, আলাউদ্দিন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক খাইরুল বাশার ভাদু, নাটোর জেলা তাঁতীলীগের যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম বাঘা, জেলা তাঁতীলীগের নেতা মোহাম্মদ আলী, উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা শফিউল আলম, কামরুজ্জামান লাভলু, ফিরোজ আল হক ভূঁইয়া, লালপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও বিলমাড়ীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিন্টু, উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি আলতাফ হোসেন, ঈশ্বরদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম জয়, যুগ্ম সম্পাদক সোহেল রানা কনক, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া প্রমুখ। নতুন কমিটি গঠনের আগে ওই ইউনিয়ন সহ ৯টি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা করা হয়। জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন মাধ্যমে সম্মেলন শুরু করা হয়।
দীর্ঘদিনের কারাবাস থেকে মুক্ত হয়ে ওয়ালিয়া স্কুল মাঠ বুকভরা নিঃশ্বাস নিতে জনসুমুদ্রের জোয়ারের মত তৃণমূলের নেতাকর্মিদের মেলায় পরিনতি হয়। হাজার হাজার নেতাকর্মির পদচারনায় মুখর হয়ে চারি দিক। প্রয়োজন হয়নি কোন হয়নি কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থার। সম্মেলনের প্রধান অতিথি শহিদুল ইসলাম বকুলের ডাকে সারা দিয়ে এক আওয়ামীলীগ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকার সামনে দীপ্ত শপথ গ্রহন কনের নেতা কর্মিরা। প্রধান অতিথি নাটোর-১ লালপুর-বাগাতিপাড়া আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, আওয়ামী-লীগ কারো পৈত্তিক সম্পত্তি নয় যে দল বেচে ব্যবসা করে খাবে। যারাদরিদ্র ও শ্রমজীবি মানুষের বুকের উপর পা দিয়ে চাঁদা আদায় করে খায়, তারা বঙ্গবন্ধুর লোক হতে পারে না। যারা বঙ্গবন্ধু ও প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিক্রি করে নিজেদের আখের গোছানোর কাজ করে তাদের দলে থাকার দরকার নাই। দলের সাধারন সম্পাদক যেভাবে ঘার ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছিল, সময় এসেছে লালপুর-বাগাতিপাড়া মানুষের কাছেও তাদের ঘার ধাক্কা খাওয়ার।